)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ইরানে যতটা সহজে দুমড়ে দেওয়া যাবে ভাবা গিয়েছিল তা একেবারেই হয়নি। লড়াই চলিয়ে যাচ্ছে ইরান। এরকম এক পরিস্থিতিতে মারাত্মক এক ভবিষ্যদ্বাণী করলেন ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা দফতরের সেক্রেটারি আলি লারিজানি। তাঁর দাবি, ইরানকে দোষারোপ করার জন্য ৯/১১ এর মতো এক হামলার পরিকল্পনা করেছে এমস্টিন লবি। বকলমে আমেরিকা।
ইরানের নিরাপত্তা প্রধান আলি লারিজানি এক্স হ্যান্ডেলে করা এক পোস্টে বলেছেন, যৌন কেলেঙ্কারির নায়ক জেফ্রি এপস্টিনের সঙ্গে যুক্ত কিছু লোক ৯/১১-এর মতো বড় হামলার পরিকল্পনা করছে এবং সেই ঘটনার জন্য ইরানকে দোষী দেখাতে চায়।
ইরান-যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে এখন উত্তেজনা খুব বেশি। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের ওপর হামলা চালাচ্ছে, আর ইসরায়েল লেবাননে হিজবুল্লাহর ওপরও আক্রমণ করছে। এর জবাবে ইরান ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ছে এবং ইরাক ও কুয়েতে থাকা মার্কিন ঘাঁটিতে হামলার দাবি করেছে।
আলি লারিজানি বলেছেন, ইরান সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে না। ইরানের সঙ্গে আমেরিকার সাধারণ মানুষের কোনো শত্রুতা নেই এবং এই ধরনের সন্ত্রাসী পরিকল্পনার বিরোধিতা করে তেহরান।
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বরের হামলা আধুনিক ইতিহাসের সবচেয়ে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলাগুলোর একটি। আল-কায়েদার সঙ্গে যুক্ত ১৯ জন বিমান ছিনতাইকারী যুক্তরাষ্ট্রে চারটি যাত্রীবাহী বিমান হাইজ্যাক করেছিল। তারপর সেগুলি উড়ে গিয়ে ধাক্কা মারে ওয়ার্লড ট্রেড সেন্টারে। এই হামলায় প্রায় ৩,০০০ মানুষের মৃত্যু হয়। ছিনতাই হওয়া বিমানের মধ্যে দুটি বিমান নিউইয়র্ক সিটির ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের যমজ টাওয়ারে সরাসরি আঘাত করে। এর ফলে ভয়াবহ আগুন লাগে এবং কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই দুটি টাওয়ার ধসে পড়ে।
একটি ছিনতাই করা বিমান ভির্জিনিয়ার পেন্টাগনে আঘাত করে। আরেকটি বিমান পেনসিলভানিয়ার শ্যাঙ্কসভিল এলাকায় ভেঙে পড়ে, কারণ যাত্রীরা ছিনতাইকারীদের থামানোর চেষ্টা করেছিলেন। এই হামলায় ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের বড় অংশ ধ্বংস হয়ে যায় এবং কাছাকাছি অনেক ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
ইরানের কর্মকর্তারা এবং সরকারপন্থী গণমাধ্যম বারবার বলেছেন যে জেফ্রি এপস্টিনের সঙ্গে পশ্চিমা দেশের কিছু রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক প্রভাবশালী ব্যক্তির সম্পর্ক ছিল। চলমান যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে উত্তেজনার সময় তেহরান এই বিষয়টিকে বেশি করে তুলে ধরার চেষ্টা করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগে এপস্টিনকে “খারাপ ও সন্দেহজনক ব্যক্তি” বলে সমালোচনা করেছিলেন। তবে অতীতে এপস্টিনের সঙ্গে ট্রাম্পের কয়েকবার একসঙ্গে তোলা ছবি প্রকাশ্যে এসেছিল।
(Feed Source: zeenews.com)
