Santiniketan: বীরভূমে রয়েছে আস্ত এক কাচের ঘর! দেখেছেন কোনওদিন? কোথায় বলুন তো? জানুন

Santiniketan: বীরভূমে রয়েছে আস্ত এক কাচের ঘর! দেখেছেন কোনওদিন? কোথায় বলুন তো? জানুন

Santiniketan: বোলপুর গেলে অবশ্যই ঘুরে আসুন এই বাড়ি থেকে, দেখতে পাবেন অনেক কিছু। মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ইচ্ছা ছিল ব্রহ্ম উপাসনার জন্য একটি মন্দির প্রতিষ্ঠা করার।

উপাসনা গৃহ 

বীরভূম, সৌভিক রায়: লাল মাটির এবং রাঙ্গামাটির জেলা বীরভূম। আর এই বীরভূম জেলার মধ্যে অন্যতম এক আকর্ষণীয় জায়গা বোলপুর শান্তিনিকেতন। আর সেই কারণেই প্রত্যেকদিন দেশ-বিদেশের বহু পর্যটকেরা ছুটে আসেন এই বোলপুর শান্তিনিকেতন ভ্রমণের জন্য। কারণ এই বোলপুর শান্তিনিকেতন গেলে আপনি একদিকে যেমন বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের বিভিন্ন স্মৃতি বিজড়িত জিনিস দেখতে পাবেন তেমনই দেখতে পাবেন সোনাঝুরির হাট, আমার কুটির, বল্লভপুর অভয়ারণ্য, থেকে শুরু করে বিভিন্ন জায়গা।

তবে এই বোলপুর শান্তিনিকেতনের মধ্যে রয়েছে এমন একটি জায়গা যেটি হয়তো আপনি অনেকবার ঘুরে এসেছেন। তবে কোনওদিন কোনও ভাবে লক্ষ্য করেননি। প্রসঙ্গত, মহর্ষি দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুরের ইচ্ছা ছিল ব্রহ্ম উপাসনার জন্য একটি মন্দির প্রতিষ্ঠা করার। আর ঠিক সেই ইচ্ছা ভাবনার মতো ১৮৯১ সালের ২১ ডিসেম্বর ‘ব্রহ্ম মন্দির’ বা ‘উপাসনা গৃহ’ প্রতিষ্ঠিত হয়। ঢালাই লোহা ও বেলজিয়ামের কাঁচ দিয়ে এই মন্দিরটি নির্মাণ করেছে ‘শিকদার কোম্পানি’।

তবে এবার আপনার মনে একটা প্রশ্ন জাগতে পারে। আপনি আবার গন্তব্যস্থল পর্যন্ত পৌঁছবেন কীভাবে! আপনি চাইলে খুব সহজেই হাওড়া অথবা শিয়ালদহ স্টেশন থেকে যে কোনও ট্রেন ধরে পৌঁছে যেতে পারেন প্রান্তিক অথবা বোলপুর স্টেশনে। সেখান থেকে বাইরে একটু বেরিয়ে হেঁটে গেলেই আপনি একাধিক টোটো, অটো, গাড়ি পেয়ে যাবেন। সেগুলির মধ্যে আপনি যে কোনও একটি বুকিং করে বেরিয়ে পড়ুন এই উপাসনা গৃহের উদ্দেশ্যে। সেই জায়গায় গেলে আপনি নানা না দেখা জিনিস দেখতে পাবেন। তাই এবার বোলপুর শান্তিনিকেতন এলে এই জায়গাটি ঘুরে দেখুন ।