Eid 2026: ইদের নমাজ পড়তে হবে মসজিদেই, অন্যত্র নয়; উৎসবের প্রাক্কালেই কোথায় কোথায় জারি এই কড়া নির্দেশ?

Eid 2026: ইদের নমাজ পড়তে হবে মসজিদেই, অন্যত্র নয়; উৎসবের প্রাক্কালেই কোথায় কোথায় জারি এই কড়া নির্দেশ?

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: আগামীকাল সৌদি আরবে (Saudi) ইদ। আজ, বৃহস্পতিবার রমজান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হচ্ছে, তাই পরদিন মানে, আগামীকাল, শুক্রবার সৌদি আরবে উদ্‌যাপিত হবে পবিত্র ঈদুল ফিতর (Eid ul Fitr 2026)। সেই রকমই অনুমান। পবিত্র রমজান মাসের (Holy Ramadan) পরে পৃথিবী জুড়ে উৎসবের মেজাজ! কিন্তু সেই লগ্নে রয়েছে ছন্দপতনের ইঙ্গিতও। কীরকম? মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ-পরিস্থিতিতে মানুষের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এবার সংযুক্ত আরব আমিরাত ও কাতারে উন্মুক্ত স্থানে ইদ উল-ফিতরের জমায়েতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এই দুই দেশে এবার শুধু মসজিদেই ইদের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে, অন্যত্র নয়।

আরব আমিরশাহিতে

সংযুক্ত আরব আমিরশাহির ইসলাম বিষয়ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, এবার সারা দেশের মসজিদগুলির ভিতরেই ইদ উল-ফিতরের নামাজ অনুষ্ঠিত হবে। ইদগাহে নামাজের আয়োজন করা হবে না। এক বিবৃতিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলেছেন, এই সিদ্ধান্ত সমস্ত আমিরশাহির জন্যই প্রযোজ্য। ঐতিহ্যবাহী উন্মুক্ত ইদগাহে এবার ইদের নামাজ হবে না।

গণনিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মূলত সুষ্ঠুভাবে নামাজ আয়োজন এবং গণনিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই পদক্ষেপ। মুসলিমরা এবার নিজ নিজ এলাকার মসজিদগুলিতেই নামাজ আদায় করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। আরও জানানো হয়েছে, ইদের নামাজের জন্য মুসলিমদের জায়গা দিতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির সব মসজিদ প্রস্তুত রয়েছে। সেই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেওয়া আনুষ্ঠানিক নির্দেশ ও নিয়মাবলি মেনে চলতে জনসাধারণের প্রতি আহ্বানও জানানো হয়েছে।

কাতারেও

বর্তমান পরিস্থিতিতে গণনিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে কাতারেও ইদগাহের বদলে মসজিদেই ইদের নামাজ আদায়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কাতারের ওয়াক্‌ফ ও ইসলাম ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, মুসলিমদের সুস্থতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এ সিদ্ধান্ত।

রাস লাফান

এই ভাবনা যে খুব অমূলক নয়, তা প্রমাণ করে দিল রাস লাফান কাণ্ড। কাতারের রাস লাফান ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিটিতে ইরান ভয়ংকর ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি ঘটেছে। এর জেরে পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও ভারতে বড় ধরনের বিদ্যুৎ-বিভ্রাট ও শিল্পকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এই কয়েকটি দেশের তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা লিকুইফায়েড ন্যাচারাল গ্যাস বা ‘এলএনজি’ আমদানির এক বড় অংশই আসে কাতার থেকে। কাতারের প্রায় সব প্রাকৃতিক গ্যাস রাস লাফানে প্রক্রিয়াজাত হয় ও সেখান থেকেই রফতানি করা হয়। রাস লাফানের পরিচালক ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান কাতার এনার্জি চলতি মাসের শুরুর দিকে এলএনজি ও সংশ্লিষ্ট পণ্যের উৎপাদন স্থগিত করেছিল। তবে সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ও ক্ষয়ক্ষতির কারণে স্বাভাবিক উৎপাদনে ফিরতে কোম্পানিটির অনেক বেশি সময় লেগে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

(Feed Source: zeenews.com)