Social Media Influencer Death: ‘আমাদের জীবন নিখুঁত নয়’: সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দীর্ঘ বিরতি, বছর পঁচিশের তরুণীর মর্মান্তিক পরিণতি

Social Media Influencer Death: ‘আমাদের জীবন নিখুঁত নয়’: সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দীর্ঘ বিরতি, বছর পঁচিশের তরুণীর মর্মান্তিক পরিণতি

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সরের রহস্যমৃত্যু। ফ্ল্যাট থেকে উদ্ধার হল দেহ। দীর্ঘ সময় ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় বছর পঁচিশের ওই তরুণী সক্রিয় ছিলেন না বলে জানা গিয়েছে।

জানা গিয়েছে, মৃতের নাম মাশা গ্রাকজিকোস্কা। মডেলিং ও রূপচর্চা নিয়ে ভিডিয়ো বানাতেন তিনি। শেয়ার করতেন সেলফি। সোশ্যাল মিডিয়া ফলোয়ার্স ছিল ৬ লক্ষেরও বেশি। কিন্তু গত দেড় বছরে সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছুই পোস্ট করেননি মাশা। হঠাত্‍ কী হল? উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন ফলোয়ার্সরা। এরপর সম্প্রতি ওই তরুণীর মা নিজের প্রোফাইলে ছবি বদল করেন। কালো রংয়ে একটি ছবি দেন। তাতে ফলোয়ার্সদের উদ্বেগ আরও বাড়ে।

গত ৮ মার্চ ফ্ল্যাট থেকে ওই তরুণীর দেহ উদ্ধার করে পুলিস। মৃত্যুর কারণও স্পষ্ট নয় এখনও। অনিচ্ছাকৃত খুনের মামলা দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয় এক পুলিস আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে ফ্ল্যাটে তৃতীয় কোনও ব্যক্তির উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়া যায়নি।  ফ্ল্যাটে পাওয়া গিয়েছে ওই তরুণীর পোষ্য কুকুরটিকে। সে এখন পরিবারের হেফাজতে।

এর আগেও একবার সোশ্য়াল মিডিয়া থেকে বিরতি নিয়েছিলেন ওই তরুণী। কারণ, কিডনির সমস্য়ার জন্য চার মাস হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হয়েছিল তাঁকে। নিজেই সেকথা জানিয়েছিলেন। বস্তুত, ব্য়ক্তিগত জীবনের সমস্যা ও লড়াইয়ে কথা বরাবরই খোলামেলাভাবে সোশ্যাল মিডিয়ার শেয়ার করতেন তিনি। একবার বলেছিলেন, আমি আপনাদের বোঝাতে চেয়েছিলাম যে ইন্টারনেটে থাকা মানুষেরও আপনাদের মতোই সমস্যা থাকে। আমাদের জীবনও নিখুঁত নয়’।

এর আগেও একবার সোশ্য়াল মিডিয়া থেকে বিরতি নিয়েছিলেন ওই তরুণী। কারণ, কিডনির সমস্য়ার জন্য চার মাস হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হয়েছিল তাঁকে। নিজেই সেকথা জানিয়েছিলেন। বস্তুত, ব্য়ক্তিগত জীবনের সমস্যা ও লড়াইয়ে কথা বরাবরই খোলামেলাভাবে সোশ্যাল মিডিয়ার শেয়ার করতেন তিনি। একবার বলেছিলেন, আমি আপনাদের বোঝাতে চেয়েছিলাম যে ইন্টারনেটে থাকা মানুষেরও আপনাদের মতোই সমস্যা থাকে। আমাদের জীবনও নিখুঁত নয়’।

এদিকে ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যার কারণে আত্মহত্য়া করেছেন জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সর চিনু পাপ্পু।  ছোট ছোট ভিডিয়ো বা রিলের মাধ্যমে গ্রাম্য জীবন, খাবার এবং স্থানীয় সংস্কৃতির কথা তুলে ধরতেন তিনি।  ৯ ফেব্রুয়ারি, সোমবার দুপুরে চিন্নুকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান তাঁর ভাই রথীশ। হাসপাতালে নিয়ে গেলে, তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিত্‍সকরা।

জানা গিয়েছে, চিনু খুব কম বয়সে তিনি ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন। কিন্তু তাঁর বৈবাহিক জীবন সুখের ছিল না।   মৃত্যুর কয়েক মাস আগেই স্বামীর সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়। ডিভোর্সের মামলা চলছিল। ওই দম্পতির ছেলের বয়স চার বছর। ফলোয়ার্সদের দাবি, পর্দায় তাকে সবসময় হাসিখুশি দেখা গেলেও ভেতরে ভেতরে তিনি হয়তো খুব মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন।

(Feed Source: zeenews.com)