
ডোনাল্ড ট্রাম্পের শারীরিক অবস্থা
সম্প্রতি ৭৯ বছরে পা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। জো বাইডেনের মতো স্মৃতিভ্রংশ রোগের শিকার হননি তিনি। তবে সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের শারীরিক অবস্থা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে। গত ২১ মার্চ ফ্লোরিডায় অবতরণের পর এয়ারফোর্স ওয়ান (Air Force One) থেকে নামার একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পর থেকেই এই জল্পনার সূত্রপাত।
কী দেখা গেছে ভিডিওতে
ভাইরাল ক্লিপটিতে দেখা গেছে, ট্রাম্প অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে বিমানের সিঁড়ি দিয়ে নামছেন। প্রতি পদক্ষেপে তিনি রেলিং শক্ত করে ধরছেন। মাঝপথে একবার থামেন। শুধু সিঁড়ি দিয়ে নামাই নয়, এর আগের দিনের একটি অনুষ্ঠানে চেয়ারে বসার সময়ও তাকে বেশ সতর্ক থাকতে দেখা যায়। ভিডিওতে দেখা যায়, তিনি টেবিল আঁকড়ে ধরে নিজেকে সামলে নিয়ে ধীরে ধারে চেয়ারে বসছেন।
শারীরিক পরিবর্তন নিয়ে জল্পনা
নেটিজেন ও পর্যবেক্ষকরা ট্রাম্পের সাম্প্রতিক উপস্থিতিতে বেশ কিছু পরিবর্তনের দিকে আঙুল তুলেছেন, তারমধ্যে সবার আগে রয়েছে
ফোলা গোড়ালি: সাম্প্রতিক মাসগুলোতে তার গোড়ালি স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি ফোলা দেখা গেছে। হোয়াইট হাউস অবশ্য একে ‘ক্রনিক ভেনাস ইনসাফিসিয়েন্সি’ (Chronic Venous Insufficiency) বা বার্ধক্যজনিত রক্ত সঞ্চালনের সমস্যা হিসেবে অভিহিত করেছে।
ত্বকের রং ও ক্লান্তি: অনেকের মতে, তাকে আগের চেয়ে অনেক বেশি ক্লান্ত দেখাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেউ কেউ তাকে “বৃদ্ধ ও পরিশ্রান্ত” বলে মন্তব্য করেছেন।
ট্রাম্পের পাল্টা যুক্তি
তবে নিজের স্বাস্থ্য নিয়ে ওঠা সমস্ত অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বারবার প্রাক্তন হোয়াইট হাউস চিকিৎসক রনি জ্যাকসনের দেওয়া সার্টিফিকেটের কথা মনে করিয়ে দিয়ে দাবি করেছেন , তিনিই এ যাবৎকালের সবচেয়ে স্বাস্থ্যবান মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সাম্প্রতিক এক বক্তব্যে তিনি বলেন, “ডাক্তাররা বলেছিলেন, ট্রাম্পের ধারেকাছে আসার মতো সুস্থ কেউ নেই।”
বিতর্ক ও বাস্তব কী বলছে
বিরোধীরা এই ভিডিওগুলোকে ট্রাম্পের বার্ধক্য ও দায়িত্ব পালনে অক্ষমতার প্রমাণ হিসেবে দেখলেও, তার সমর্থকরা একে সাধারণ ঘটনা হিসেবেই দেখছেন। তাদের মতে, ৭৯ বছর বয়সে বিমানের খাড়া সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় সতর্ক থাকাটা অত্যন্ত স্বাভাবিক।
হোয়াইট হাউস থেকে এখনও পর্যন্ত তার অসুস্থতা নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি। বরং জানানো হয়েছে, প্রেসিডেন্ট তার নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী ফ্লোরিডা সফর শেষে টেনেসি ও ওয়াশিংটনে ফিরবেন।
(Feed Source: abplive.com)
