পশ্চিম এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার মাঝে বিশ্ব জ্বালানি সরবরাহ ও সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। এই প্রেক্ষিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ফোনালাপে হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করা হয়েছে।
ট্রাম্প–মোদির ফোনালাপ, পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি ও হরমুজ প্রণালী খোলা রাখার ওপর জোর
পশ্চিম এশিয়ার ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার আবহে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে ফোনে কথা বলেন। আলোচনায় হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়। ভারতে মার্কিন রাষ্ট্রদূত সের্গিও গোর এই তথ্য জানিয়ে বলেন, দুই নেতা চলমান সঙ্কট এবং তার বৃহত্তর প্রভাব—বিশেষ করে জ্বালানি সরবরাহ ও সমুদ্রপথের নিরাপত্তা—নিয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, “পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে, বিশেষ করে হরমুজ প্রণালী খোলা রাখার গুরুত্বের বিষয়টি উঠে এসেছে।”
হরমুজ প্রণালী বিশ্বে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জলপথ, যার মাধ্যমে বিশ্বে মোট অপরিশোধিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ পরিবাহিত হয়। এই রুটে কোনও বিঘ্ন ঘটলে তা বিশ্ব জ্বালানি বাজার এবং অর্থনীতিতে বড় প্রভাব ফেলতে পারে, যার প্রভাব ভারতের ওপরও পড়বে। বর্তমানে পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা দ্রুত বাড়ছে, যার ফলে বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা এবং সরবরাহ শৃঙ্খলার স্থিতিশীলতা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
ভারত, যা জ্বালানি আমদানির ক্ষেত্রে উপসাগরীয় অঞ্চলের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল, পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে। নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি ও প্রয়োজনীয় পণ্যের সরবরাহ নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যেই বিকল্প পরিকল্পনাও শুরু করেছে কেন্দ্র।
দুই দেশই এই অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ সুরক্ষিত রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ফোনালাপ থেকে স্পষ্ট, পরিবর্তিত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে ভারত ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সমন্বয় আরও জোরদার হচ্ছে, যেখানে হরমুজ প্রণালীকে সম্ভাব্য স্পর্শকাতর কেন্দ্র হিসেবে দেখা হচ্ছে।
(Feed Source: news18.com)