
আগে সিস্টেমে কী সমস্যা ছিল
আগের সিস্টেমে প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা তোলা ও পাঠানো বেশ ঝক্কির বিষয় ছিল। যাতে পিএফ-এর টাকা তুলতে যাচাইকরণ, কাগজে কলমের ব্যবহার ছিল। এছাড়াও অপেক্ষা করতে হত অনেক সময়। EPFO 3.0-তে ডিজিটাল প্লাটফর্মে কোর ব্যাঙ্কিং সিস্টেম এনে এই সমস্যার সমধান করবে সরকার। যার ফলে যখন তখন টাকা তোলার আবেদন বা তহবিল স্থানান্তরের আবেদন করা যাবে অনলাইনে। তাতে দ্রুত সহজেই টাকা চলে আসবে আপনার কাছে। এর ফলে EPFO-র ৮ কোটি সদস্যরা উপকৃত হবেন।
ATM ও UPI পরিষেবার সুবিধা
এই নতুন প্রস্তাবিত পরিষেবা চালু হলে, প্রভিডেন্ট ফান্ডের টাকা এটিএম কার্ড বা UPI-এর মাধ্যমে তোল যাবে। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা তোলার মতো এই পরিষেবার মাধ্যমে অনুমোদিত PF-এর একাংশ তুলতে পারবেন সদস্যরা। জরুরিকালীন চিকিৎসা, শিক্ষা, বেকারত্ব ও বর্তমান নিয়মের আওতায় তোলা যাবে এই টাকা।
কত দিনের মধ্যে চালু হবে এই পরিষেবা
AUM ওয়েলথের প্রতিষ্ঠাতা অমিত সুরি জানিয়েছেন, আগামী দিনে এই আপডেট এসে গেলে একেবারে ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের মতো সহজেই পিএফ অ্য়াকাউন্ট কাজ করবে। অনেক সহজে হয়ে যাবে পিএফ সংক্রান্ত কাজ কর্ম। তবে EPFO 3.0 বাস্তবায়িত হতে সময় লাগবে কমপক্ষে ১২-২৪ মাস।
অটোমেটিক ক্লেম সেটলমেন্টের সুবিধা পাবেন আপনি
নতুন পদ্ধতি চালু হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার দাবি করা টাকা হাতে আসবে অনেক কম সময়ে। এখানে স্বয়ক্রিয়ভাবেই আধার যাচাইকরণ, ডিজিটাল KYC ছাড়াও সিস্টেম অনুযায়ী যাচাই প্রক্রিয়া রয়েছে। আগে সদস্যদের অ্যাকাউন্ট যাচাই করে ক্লেইম পেতে সপ্তাহখানেক সময় লেগে যেত। এখান অ্যাডভান্স ক্লেমের অটো সেটলমেন্টের পরিসীমা আগেই বাড়ানো হয়েছে । আগামী দিনে এই সেটলমেন্ট করাতে আপনাকে আর অফিসে যেতে হবে না।
সারা দেশে সহজেই ফান্ড ট্রান্সফার
আগামী দিনে EPFO 3.0 বাস্তবায়িত হলে কাজ ছেড়ে অন্য অফিসে যোগ দিলেও পিএফ ট্রান্সফারে সমস্যা হবে না। সেই ক্ষেত্রে মালিকপক্ষের অনুমিত ছাড়াই ট্রান্সফার হয়ে যাবে আপনার পিএফ-এর টাকা। তবে সেই ক্ষেত্রে ইপিএফও সদস্যের KYC ভেরিফায়েড হতে হবে। তবেই ভারতের যেকোনও শহরে গেলেও আপনার কোনও সমস্যার মুখে পড়তে হবে না।
(Feed Source: abplive.com)
