হরমুজে পাকিস্তানের কন্টেনার ভর্তি জাহাজ আটকাল ইরান, তার পরই এল ‘বন্ধুদেশে’র তালিকা

হরমুজে পাকিস্তানের কন্টেনার ভর্তি জাহাজ আটকাল ইরান, তার পরই এল ‘বন্ধুদেশে’র তালিকা
নয়াদিল্লি: আমেরিকা এবং ইরানের যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতা করছে তারা। সেই পাকিস্তানেরই জাহাজও আটকে দিল ইরান। হরমুজ প্রণালী পেরোতে গেলে কার্যত দোরগোড়া থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় জাহাজটিকে। জাহাজটি আইনি প্রোটোকল মানেনি, হরমুজ পেরনোর অনুমোদনও ছিল না বলে জানানো হয়। পরে যদিও যে পাঁচটি বন্ধুদেশের জন্য হরমুজ খুলে দেওয়ার ঘোষণা করে ইরান, তাতে নাম ছিল পাকিস্তানেরও। (Strait of Hormuz)

জানা গিয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকে করাচির দিকে এগোচ্ছিল কন্টেনার ভর্তি ওই জাহাজটি, যার নাম SELEN (সেলেন)। হরমুজে ঢোকার ঠিক মুখে জাহাজটিকে আটকে দেয় ইরান। মুখ ঘুরিয়ে ফিরে যেতে বলে ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস। জাহাজটিতে কী বোঝাই কার ছিল, তা যদিও এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। তবে এতে অস্বস্তিতে পড়ে পাকিস্তান। কারণ আমেরিকার সঙ্গে ইরানের মধ্যে যুদ্ধবিরতি স্থাপনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে তারা। যুদ্ধবিরতির শর্তাবলীও এক দেশ থেকে অন্য দেশের হাতে তুলে দিচ্ছে। এমনকি যুদ্ধবিরতি নিয়ে ইসলামাবাদে বৈঠকও হতে চলেছে, যেখানে আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের উপস্থিত থাকার কথা। (Iran-Pakistan Relations)

পাকিস্তানের ওই জাহাজ আটকানো নিয়ে ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড কর্পসের নৌবাহিনীর কমান্ডার আলিরেজা তাংসিরি সোশ্যাল মিডিয়ায় লেখেন, ‘আইনি প্রোটোকল মানতে ব্যর্থ হওয়ায়, হরমুজ প্রণালী পেরনোর অনুমোদন না থাকায় SELEN জাহাজটিকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই জলপথ পেরোতে হলে ইরানের উপকূল বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয় রেখে চলতে হবে। ইরানের সাধারণ মানুষের সমর্থন ছাড়া এটা সম্ভব হতো না’।

হরমুজ দিয়ে জাহাজ চলাচলকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ করাই যে তাদের লক্ষ্য, তা ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছে ইরান। ‘শত্রু নয়’ এমন দেশের জাহাজ হরমুজ পেরোতে পারে বলে জানিয়েছে তারা। এদিন আবার পাঁচটি বন্ধুদেশের জন্য হরমুজ খুলে দিয়েছে ইরান। সেই বন্ধুদেশের তালিকায় রয়েছে ভারত, রাশিয়া চিন, ইরাক এবং পাকিস্তানও। অর্থাৎ আপাতত হরমুজ দিয়ে পাকিস্তানের জাহাজও চলাচল করতেও পারে। তবে ওই জাহাজটি ফের হরমুজে ফিরতে পেরেছে কি না, জানা যায়নি। 

(Feed Source: abplive.com)