
এদিকে গ্য়াস বুকিংয়ের ক্ষেত্রে নিয়ম বদল হয়নি বলে আগেই বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। বুধবার বিবৃতিতে মোদি সরকার জানিয়েছে, গ্যাস বুকিংয়ের নিয়মে পরিবর্তন বদল হয়নি। রিফিল বুকিংয়ের সময়সীমা অপরিবর্তিত রয়েছে। অর্থাৎ শহরাঞ্চলে ২৫ দিন ও গ্রামীণ এলাকায় ৪৫ দিন। সেইসঙ্গে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে LPG-র মজুত রয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার এই বিবৃতি জারি করলেও ধোঁয়াশায় গ্য়াস ডিস্ট্রিবিউটাররা। সমস্য়ার কথা জানাচ্ছেন গ্য়াস ডিস্ট্রিবিউটাররা।
পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আবহে, বিভিন্ন জায়গা থেকেই সামনে আসছে LPG-সঙ্কটের ছবি। এক ডেলিভারি বয় বলেন, “গ্য়াস চেন দিয়ে বেঁধে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। গ্য়াস না দিলে মারতে আসছে।” সমস্য়ায় পড়েছেন অটো চালকরা। তাঁদের দাবি, গ্য়াসের জোগান কম। তাই পেট্রোল পাম্পে গিয়ে দীর্ঘক্ষণ লাইনে দাঁড়াতে হচ্ছে।
এই সঙ্কট কতদিনে কাটবে? পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে? সেদিকেই নজর সকলের। যদিও সরকারের তরফে বিবৃতি দিয়ে নাগরিকদের উদ্দেশ্যে জানানো হয়েছে, এই ধরনের ভুয়ো তথ্য বিশ্বাস করবেন না বা প্রচার করবেন না। পাশাপাশি, আতঙ্কিত হয়ে এলপিজি বুকিং এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। পুনরায় জানানো হয় যে, দেশে পর্যাপ্ত পরিমাণে এলপিজি মজুত রয়েছে এবং উদ্বেগের কোনও কারণ নেই।
এখন সার্বিকভাবে পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হয় সেদিকেই তাকিয়ে গোটা দেশ।
(Feed Source: abplive.com)
