
এদিন প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এখন যে যুদ্ধ চলছে, তার থেকে তৈরি হওয়া সংকটের মোকাবিলা কীভাবে করতে হবে ? তা নিয়ে আমি সংসদে বিস্তারিত বলেছি। কাল, দেশের সব মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে। খুব ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে। আজ সব জনতা-জনার্দনকে আবার বলব, দেশবাসীকে ফের বলব, আমাদের শান্ত মনে, ধৈর্য ধরে, একজোট হয়ে…মিলেমিশে এই সংকটের মোকাবিলা করতে হবে। পুরো বিশ্বজুড়ে সমস্যা সৃষ্টি করার মতো সংকট। আমাদের নিজেদের দেশকে নিয়ে সবথেকে বেশি চিন্তা করতে হবে। এটাই ভারতীয়দের সবথেকে বড় শক্তি। আমি উত্তরপ্রদেশের… দেশের সব রাজনৈতিক দলের কাছে আবেদন জানাচ্ছি, এই রকম সংকটে এমন কথা বলবেন না যা দেশের জন্য ক্ষতিকারক হতে পারে। যাতে ভারতের মঙ্গল হবে, সেটাই ভারত সরকারের নীতি এবং রণনীতি।”
मेरी कल देश के सभी मुख्यमंत्रियों से भी लंबी चर्चा हुई है और बड़ी सकारात्मक चर्चा हुई है।
मैं आज आप सभी जनता-जनार्दन से फिर कहूंगा, मैं देशवासियों से फिर से कहूंगा, हमें शांत मन से, धैर्य के साथ, एकजुटता के साथ, मिलजुल करके इस संकट का सामना करना है: आदरणीय प्रधानमंत्री श्री… pic.twitter.com/Pdik0uA7jX
— Yogi Adityanath (@myogiadityanath) March 28, 2026
‘টিম ইন্ডিয়া’ হয়ে কাজ করলে, এই পরিস্থিতিও সাফল্য়ের সঙ্গে মোকাবিলা করা যাবে। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের ফলে তৈরি পরিস্থিতিতে বিভিন্ন রাজ্য়ের মুখ্য়মন্ত্রীদের সঙ্গে ভার্চুয়াল বৈঠকে গতকাল এই মন্তব্য় করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। বৈঠকে সাপ্লাই চেন যেন মসৃণভাবে কাজ করে এবং কালোবাজারি ও মজুতদারদের বিরুদ্ধে কড়া ব্য়বস্থা নেওয়ার ওপর জোর দেন প্রধানমন্ত্রী। ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গ, তামিলনাড়ু, কেরল, অসম, পুদুচেরি বাদে সব মুখ্যমন্ত্রীরা বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন। সূত্রের খবর, বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা, জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, শিল্প ও সরবরাহ শৃঙ্খলকে শক্তিশালী করা এবং নাগরিকদের স্বার্থ রক্ষা করা সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের তালিকার শীর্ষে রয়েছে।
(Feed Source: abplive.com)
