Love Bite Death: সতেরোর সুঠাম প্রেমিকের গায়ে কামঘন একাধিক আদরকামড় যুবতীর: স্ট্রোকে মৃত্যু তরুণের, দায়ী লাভবাইটই

Love Bite Death: সতেরোর সুঠাম প্রেমিকের গায়ে কামঘন একাধিক আদরকামড় যুবতীর: স্ট্রোকে মৃত্যু তরুণের, দায়ী লাভবাইটই

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ভালোবাসার চিহ্ন হিসেবে দেওয়া একটি ছোট্ট ‘লাভ বাইট’ বা হিকি যে প্রাণঘাতী হতে পারে, তা প্রমাণ করল মেক্সিকো সিটির এক মর্মান্তিক ঘটনা। প্রেমিকার দেওয়া হিকি থেকে স্ট্রোক হয়ে মৃত্যু হয়েছে ১৭ বছর বয়সী এক কিশোরের। চিকিৎসকদের মতে, ঘাড়ের ওপর প্রবল চাপের ফলে রক্ত জমাট বেঁধে এই মর্মান্তিক পরিণতি।

জানা গিয়েছে, কিশোরটির ঘাড়ে দেওয়া ওই গভীর চুম্বনের (Suction) ফলে চামড়ার নীচে রক্ত জমাট বেঁধে যায়। পরবর্তীতে সেই জমাট বাঁধা রক্ত হৃদপিণ্ড থেকে ধমনীর মাধ্যমে মস্তিষ্কে পৌঁছে যায়। সেখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ রক্তনালীতে বাধা সৃষ্টির ফলে কিশোরটি স্ট্রোকের শিকার হয়। দ্রুত চিকিৎসা দেওয়া সত্ত্বেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।

হিকি আসলে কী এবং এটি কেন বিপজ্জনক?
সাধারণত চামড়ার ওপর প্রবল টানের ফলে নীচের ছোট রক্তনালীগুলো ফেটে যায় এবং সেখানে কালশিটে পড়ে-একে আমরা ‘হিকি’ বা ‘লাভ বাইট’ বলি। সাধারণত এটি কয়েকদিনের মধ্যে সেরে যায়। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যদি চাপের মাত্রা খুব বেশি হয়, তবে ভেতরের বড় রক্তনালী ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

ঘাড়ে থাকে ক্যারোটিড ধমনী (Carotid arteries), যা সরাসরি মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ করে। এই অংশে অত্যাধিক চাপের ফলে রক্ত জমাট বাঁধলে তা মস্তিষ্কের অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ করে দিতে পারে, যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে ‘ইস্কেমিক স্ট্রোক’ বলা হয়।

এটি কতটা বিরল?
চিকিৎসকরা আশ্বাস দিয়েছেন যে, এমন ঘটনা অত্যন্ত বিরল। প্রতি বছর লক্ষ লক্ষ মানুষের হিকি হলেও এমন ট্র্যাজেডি সচরাচর দেখা যায় না। তবে কিছু ক্ষেত্রে ঝুঁকি বাড়তে পারে, যেমন– অতিরিক্ত জোরে বা দীর্ঘক্ষণ চাপ দেওয়া। আগে থেকেই রক্ত জমাট বাঁধার সমস্যা থাকা। দুর্বল রক্তনালী বা অন্য কোনো শারীরিক জটিলতা।

স্ট্রোকের লক্ষণগুলো কী কী?
যেকোনো কারণেই স্ট্রোক হোক না কেন, দ্রুত লক্ষণ চিনতে পারা জীবন বাঁচাতে পারে। নীচের লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে যোগাযোগ করুন– শরীরের একপাশ হঠাৎ অবশ বা দুর্বল হয়ে যাওয়া। কথা বলতে সমস্যা হওয়া বা কথা জড়িয়ে যাওয়া। প্রচণ্ড মাথাব্যথা ও ভারসাম্যহীনতা। চোখে দেখতে সমস্যা হওয়া।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ: শরীরের ঘাড়ের অংশটি অত্যন্ত সংবেদনশীল। এই বিরল ঘটনাটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, শরীরের স্পর্শকাতর অংশে যেকোনো ধরণের আঘাত বা অতিরিক্ত চাপ মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। সচেতনতাই পারে এমন অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনা রোধ করতে।

(Feed Source: zeenews.com)