Iran US War: এবার ইরানের ভয়ে কাঁপছেন স্বয়ং ট্রাম্প? ৮ গালফ সেতুই ওড়াল ইরান? বিশ্ব জুড়ে এবার আরও বড় সংকট

Iran US War: এবার ইরানের ভয়ে কাঁপছেন স্বয়ং ট্রাম্প? ৮ গালফ সেতুই ওড়াল ইরান? বিশ্ব জুড়ে এবার আরও বড় সংকট

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ইরান-ইসরায়েল আমেরিকার যুদ্ধ (Iran Israel US War) নিত্যই নয়া মোড় নিচ্ছে। মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের উত্তর শহর কারাজের (city of Karaj) কাছে নির্মীয়মাণ ‘বি-১’ (B1) সেতুটি আংশিকভাবে ধ্বংস করেছে আমেরিকা। এই হামলায় ৮ জন নিহত এবং ৯৫ জন আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। ইরান পাল্টা প্রতিশোধ হিসেবে মধ্যপ্রাচ্যের আটটি প্রধান সেতুর একটি তালিকা প্রকাশ করেছে।

ইরানের সর্বোচ্চ সেতুতে হামলা

বৃহস্পতিবারের হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের সর্বোচ্চ ১৩৬ মিটার উঁচু বি-১ সেতুটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেতুটি তেহরানের সঙ্গে পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর কারাজকে যুক্ত করার জন্য তৈরি হচ্ছিল। আলবোর্জ প্রদেশের ডেপুটি গভর্নর জানিয়েছেন, এই হামলায় ৮ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত ৯৫ জন।

ট্রাম্পের হুঙ্কার

ভিডিয়োতে দেখা গিয়েছে হামলার পরে সেতুর একটি বড় অংশ ভেঙে পড়ছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজেই এই ভিডিও পোস্ট করে সতর্ক করেছেন যে, ইরান যদি পাঁচ সপ্তাহের এই যুদ্ধ শেষ করতে আলোচনায় না আসে, তবে আরও ধ্বংসলীলা চালানো হবে। ট্রাম্প বলেন, ইরানের বৃহত্তম সেতুটি ধসে পড়ল… আরও অনেক কিছু বাকি আছে! সময় থাকতে ইরানের উচিত চুক্তি করা, না হলে এই দেশটির কিছুই আর অবশিষ্ট থাকবে না!

প্রত্যাঘাত

উত্তর ইরানের কারাজ শহরে গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামোয় মার্কিন-ইসরায়েলি হামলার পরে ইরান মধ্যপ্রাচ্য অঞ্চলের আটটি প্রধান সেতুর তালিকা প্রকাশ করে পাল্টা আঘাত হানার ইঙ্গিত দিয়েছে। বৃহস্পতিবার ইরানের সবচেয়ে উঁচু বি-১ সেতুতে হামলার পর ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) উপসাগরীয় দেশগুলি এবং জর্ডনের বেশ কিছু নামকরা সেতুকে লক্ষ্যবস্তু করতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

ইরানের ‘হিট-লিস্ট’

কুয়েত: শেখ জাবের আল-আহমাদ আল-সাবাহ সি ব্রিজ।

সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE): শেখ জায়েদ ব্রিজ, আল মাকতা ব্রিজ এবং শেখ খলিফা ব্রিজ।

সৌদি আরব ও বাহরিন সংযোগকারী: কিং ফাহাদ কজওয়ে।

জর্ডন: কিং হোসেন ব্রিজ, দামিয়া ব্রিজ এবং আবদুন ব্রিজ।

ইরানের প্রতিক্রিয়া

ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি এক্সে (X) লিখেছেন, নির্মীয়মাণ সেতুর মতো অসামরিক পরিকাঠামোয় হামলা চালিয়ে ইরানিদের আত্মসমর্পণ করানো যাবে না। এটি কেবল শত্রুর পরাজয় এবং নৈতিক পতনকেই তুলে ধরে।

যুদ্ধের ক্ষয়ক্ষতি

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া মার্কিন ও ইসরায়েলের যৌথ অভিযানে এ পর্যন্ত ইরানি সুপ্রিম লিডার আলি খামেইনি-সহ ১৩৪০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন। পাল্টা জবাবে ইরানও ইসরায়েল এবং মার্কিন সামরিক ঘাঁটি রয়েছে এমন উপসাগরীয় দেশগুলিতে ড্রোন ও মিসাইল হামলা চালিয়েছে।

(Feed Source: zeenews.com)