‘ডোনাল্ড ট্রাম্প ডেড’! দাবি ঘিরে উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া, সত্য সামনে আনল হোয়াইট হাউস

‘ডোনাল্ড ট্রাম্প ডেড’! দাবি ঘিরে উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া, সত্য সামনে আনল হোয়াইট হাউস
নয়াদিল্লি: আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ‘মৃত’ বলে জোর গুঞ্জন সোশ্যাল মিডিয়ায়। আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে যুদ্ধ চলাকালীনই ট্রাম্পের ‘মৃত্যু’ নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন দাবি। ট্রাম্পের স্বাস্থ্যের অবনতি হয়েছে, তিনি হাসপাতালে ভর্তি বলেও গুঞ্জন ছড়িয়েছে। কিন্তু সত্যিই কি ট্রাম্পের অবস্থা সঙ্কটজনক? যাবতীয় জল্পনা-কল্পনার মধ্যে সত্য সামনে আনল হোয়াইট হাউস। (Donald Trump Dead Claims)

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ চলছে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের। নয় নয় করে ষষ্ঠ সপ্তাহে পা রেখেছে যুদ্ধ। সেই নিয়ে আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতিতে উত্তাপ যেমন বাড়ছেন, পাল্লা দিয়ে ছড়াচ্ছে ভুয়ো খবরও। এর আগে, ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু মারা গিয়েছেন বলেও খবর ছড়ায়। তার পর, রবিবার হঠাৎই ট্রাম্পের মৃত্যুর খবরে সরগরম হয়ে ওঠে চারিদিক। (Donald Trump Dead Claims)

কিন্তু ট্রাম্পেক মৃত্যুর খবর হঠাৎ ছড়াল কেন? এর জন্য একটি পোস্ট-কে দায়ী করা হচ্ছে। ট্রাম্প জনসমক্ষে আসবেন না বলে প্রথমে জানায় হোয়াইট হাউস। আর তার পর পরই ওই পোস্টে ইঙ্গিত দেওয়া হয় যে, ট্রাম্প Walter Reed National Medical Center-এ ভর্তি রয়েছেন। সেখান থেকেই ৭৯ বছর বয়সি ট্রাম্পের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ ছড়ায়। তাঁর শরীর কেমন আছে, তিনি কী অবস্থায় আছেন, আদৌ বেঁচে আছেন কি না, নানাজনের থেকে নানা কথা শোনা যেতে শুরু করে।

কৌতূহলী মানুষজন প্রথমেই মাইক্রোব্লগিং সাইট X-এর AI সহযোগী Grok-এর দ্বারস্থ হন। জবাবে Grok জানায়, ট্রাম্পকে নিয়ে ওই খবর সত্য নয়। জল্পনা থেকে ভিত্তিহীন দাবি ছড়িয়ে পড়েছে। এর পরই বিষয়টি নিয়ে মুখ খোলে হোয়াইট হাউস। হোয়াইট হাউসের সরকারি কমিউনিকেশন অ্যাকাউন্ট Rapid Responses 47 থেকে লেখা হয়, ‘১২ ঘণ্টা সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলেননি প্রেসিডেন্ট। আর তাতেই উন্মাদ লিবারালরা এমন অদ্ভুত ষড়যন্ত্র-তত্ত্ব খাড়া করছে। (বাইডেন যখন ১২ দিন কথা না বলে থাকতেন, সেই সময় কিছু বলা হতো না)। ভয়ের কোনও কারণ নেই! প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কর্মবিরতিই নেন না’।

এমনকি তাঁর মৃত্যুর খবরে যখন উত্তাল সোশ্যাল মিডিয়া, সেই সময়ই ট্রুথ সোশ্যালে পর পর লেখা পোস্ট করেন ট্রাম্প। ইরানে আমেরিকার সেনার সফল উদ্ধার অভিযানের খবর জানান সকলকে। তবে এই প্রথম ট্রাম্পের স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বেগ ছড়াল না। এর আগেও তাঁর শরীরে কালশিটে দাগ দেখে জল্পনা ছড়ায়। সেই সময় ট্রাম্প জানান, তাঁর শরীর ভালই আছে। অ্যাসপিরিন এবং ব্লাড থিনার থেকেই কালশিটে ছোপ হয়েছে বলে জানান।

গত বছর ট্রাম্পের পা ফোলা নিয়েও উদ্বেগ ছড়িয়েছিল। তাঁর হাত বিবর্ণ হওয়া নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছিলেন অনেকে। যদিও সেই সময় ট্রাম্পের প্রেস সচিব ক্যারোলাইন লেভিট জানান, এত করমর্দন করতে হয় ট্রাম্পকে যে, টিস্যুর উপর প্রভাব পড়ছে। অ্যাসপিরিন ব্যবহারের দিকেও ইঙ্গিত করেছিলেন ক্যারোলাইন।

(Feed Source: abplive.com)