
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: হাসতে-হাসতে দেশের জন্য আত্মবলিদান দিতে তাঁরা দু’বার ভাবেন না। তাই ভারতীয় সেনা হওয়া চাট্টিখানি কথা নয়। চরম শারীরিক ও মানসিক পরীক্ষায় পাস করার পরেই সেনার উর্দি গায়ে ওঠে। ভারতীয় সেনারাই পৃথিবীর চরমতম তাপমাত্রায় দেশের রক্ষায় থাকেন অতন্দ্র প্রহরী হয়ে। তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নীচে থাকলেও বা কী! জওয়ানরা অত্যন্ত প্রতিকূল পরিস্থিতিতেই তাঁদের দায়িত্ব পালন করেন। বিশ্বের সর্বোচ্চ যুদ্ধক্ষেত্র সিয়াচেন হিমবাহ। সেখানে সেনাছাউনি ১৮০০০ থেকে ২২০০০ ফুটেরও বেশি উঁচুতে থাকে। এই দুর্গম পার্বত্য অঞ্চলে ভারতীয় সেনার অক্সিজেন নেওয়াও রীতিমতো কষ্টকর হয়ে যায়। আর সেখানে খাওয়া-দাওয়া! যেন বিলাসিতা!
ভিডিয়ো দেখে কুর্নিশ নেটপাড়ার
লাদাখ-সিয়াচেনের হাড়কাঁপানো ঠান্ডায় মিনিটের মধ্যে খাবার ঠান্ডা হয়ে যায়। সম্প্রতি একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে যে, ভারতীয় সেনা কী প্রচণ্ড প্রতিকূলতায় বেঁচে থাকে। কাঠের মতো শক্ত রুটি (চাপাটি) হাসি মুখেই খাচ্ছেন ভারতীয় সেনারা। খাওয়া তো নয়, যেন বেঁচে থাকার আহার। ওই শক্ত রুটি গলাধঃকরণ করছেন ফ্লাস্কের চায়ে চুমুক দিয়ে। তাঁদের চোখে-মুখে বিরক্তির বিন্দুমাত্র ছাপ নেই। বেছে নেওয়া ভয়াবহ এক জীবন তাঁদের। তাই কোনও অভিযোগ বা আক্ষেপ নেই। হাসি মুখে সতীর্থদের সঙ্গে তা উপভোগ করছেন। জোক শোনাচ্ছেন আবার। এই ভিডিয়ো নেটপাড়ায় ভাইরাল হতেই দেশবাসী আবারও কুর্নিশ জানাচ্ছে তাঁদের। শুধু পরিবারকেই নয়, চারবেলার খাওয়াদাওয়াকেও ভুলে ‘জয় হিন্দ’ বলে দেশের জন্য নিজেদের সঁপে দিয়েছেন। তবে এই ভিডিয়োর সত্যতা জি ২৪ ঘণ্টা যাচাই করেনি। ভাইরালের ভিত্তিতেই এই প্রতিবেদন।
কোন সেনা এই উচ্চতায় কাজ করে?
ভারতীয় সেনার মাউন্টেন ওয়ারফেয়ার ইউনিট এবং স্পেশাল ফোর্স এই উচ্চতায় কাজ করে।’পর্বত প্রহর’-এর মতো কঠিন সামরিক মহড়ার মাধ্যমে লাদাখের ১৮০০০ ফুট উঁচুতেও এই সেনারা যুদ্ধের প্রস্তুতি পরীক্ষা নেন। তবে ভিডিয়োতে কোন ইউনিটকে দেখানো হয়েছে তা স্পষ্ট নয়। তবে ভিজুয়াল বলছে যে, এমন জায়গায় সেনারা শক্ত রুটি আর চা খাচ্ছেন, সেখানে −50°C থেকে −60°C তাপমাত্রা থাকে।
(Feed Source: zeenews.com)
