রেলে গ্রুপ ডি (লেভেল-১) পদে চাকরি পেতে গেলে নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়সসীমা এবং একাধিক ধাপের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া জরুরি। রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড-এর মাধ্যমে পরিচালিত এই নিয়োগ প্রক্রিয়া অত্যন্ত প্রতিযোগিতামূলক। তাই যোগ্যতার খুঁটিনাটি এবং পরীক্ষার পদ্ধতি ভালভাবে জানা থাকলে প্রস্তুতি নেওয়া সহজ হয় এবং সাফল্যের সম্ভাবনাও বাড়ে।
রেলে গ্রুপ ডি চাকরি পেতে গেলে কী যোগ্যতা লাগে? কী ভাবে হয় পরীক্ষা? ‘ক্র্যাক’ করবেন জানলেই
রেলে গ্রুপ ডি (লেভেল-১) পদে চাকরি পেতে হলে নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা, বয়সসীমা এবং একাধিক ধাপের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া বাধ্যতামূলক। এই নিয়োগ প্রক্রিয়া পরিচালনা করে রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড। আবেদন করার আগে কী কী শর্ত পূরণ করতে হবে এবং কীভাবে পরীক্ষা হয়, তা জেনে নেওয়া জরুরি।
রেলের গ্রুপ ডি লেভেল-১ পদে নিয়োগের জন্য যোগ্যতার মানদণ্ড নির্ধারণ করে রেলওয়ে রিক্রুটমেন্ট বোর্ড। সাধারণত চারটি মূল বিষয়ের উপর ভিত্তি করে এই যোগ্যতা নির্ধারিত হয়—বয়স, নাগরিকত্ব, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং শারীরিক সক্ষমতা।
বয়সের ক্ষেত্রে প্রার্থীর ন্যূনতম বয়স হতে হবে ১৮ বছর এবং সর্বোচ্চ ৩৩ বছর। তবে সংরক্ষিত শ্রেণির প্রার্থীদের জন্য সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বয়সে ছাড় দেওয়া হয়। নাগরিকত্বের ক্ষেত্রে আবেদনকারীকে ভারত, নেপাল বা ভুটানের নাগরিক হতে হবে।
শিক্ষাগত যোগ্যতার ক্ষেত্রে প্রার্থীকে স্বীকৃত বোর্ড থেকে অন্তত মাধ্যমিক (দশম শ্রেণি) পাশ হতে হবে। টেকনিক্যাল বিভাগের কিছু পদের জন্য অতিরিক্ত যোগ্যতা হিসেবে আইটিআই (Industrial Training Institute) বা সমমানের ডিপ্লোমা প্রয়োজন হয়, যা ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ ভোকেশনাল ট্রেনিং বা স্টেট কাউন্সিল অফ ভোকেশনাল ট্রেনিং দ্বারা স্বীকৃত হতে হবে।
এছাড়াও প্রার্থীদের মেডিক্যাল ফিটনেস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। বিশেষ করে চোখের দৃষ্টি পরীক্ষার উপর বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়, কারণ রেলের কাজে শারীরিক সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
পরীক্ষার পদ্ধতি কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন হয়। প্রথমে কম্পিউটার বেসড টেস্ট (CBT) নেওয়া হয়, যেখানে মূলত গণিত, রিজ়নিং, সাধারণ জ্ঞান এবং সাম্প্রতিক ঘটনাবলি থেকে প্রশ্ন করা হয়। এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হলে প্রার্থীদের ফিজিক্যাল এফিসিয়েন্সি টেস্ট (PET)-এর জন্য ডাকা হয়, যেখানে শারীরিক সক্ষমতা যাচাই করা হয়।
এরপর নথি যাচাইকরণ (ডকুমেন্ট ভেরিফিকেশন) এবং মেডিক্যাল পরীক্ষার মাধ্যমে চূড়ান্ত প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। সমস্ত ধাপ সফলভাবে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মেধা তালিকার ভিত্তিতে রেলে গ্রুপ ডি পদে নিয়োগ করা হয়।
সুতরাং, রেলে চাকরি করতে ইচ্ছুক প্রার্থীদের জন্য শুধু পড়াশোনা নয়, শারীরিক সক্ষমতাও সমানভাবে গুরুত্বপূর্ণ। প্রস্তুতি নিতে হবে পরিকল্পিতভাবে, তবেই এই প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সফল হওয়া সম্ভব।
(Feed Source: news18.com)