
প্যাশন ফ্রুট, যাকে অনেক জায়গায় ‘আনারকলি ফল’ নামেও ডাকা হয়, মূলত একটি লতানো উদ্ভিদ। এই গাছ সহজেই বাড়ির ছাদ, বারান্দা বা মাচায় চাষ করা যায়। বাজারে চাহিদা বাড়তে থাকায় অনেকেই এখন প্যাশন ফ্রুট চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। বাণিজ্যিকভাবে চাষ করলে এই ফল থেকে ভালো মুনাফাও পাওয়া সম্ভব।
গরমের দাবদাহে যখন জীবন হাঁসফাঁস, তখন এক গ্লাস ঠান্ডা রসালো পানীয়ই এনে দিতে পারে আরাম। আর সেই পানীয় যদি তৈরি হয় নিজের বাড়ির ফল থেকে, তাহলে তো কথাই নেই। এমনই এক উপকারী ও সুস্বাদু ফল প্যাশন ফ্রুট, যা এখন ধীরে ধীরে জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
উত্তর ২৪ পরগনার বসিরহাটের মধ্যপুর এলাকায় অবস্থিত বসুন্ধরা নার্সারিতে মিলছে এই বিদেশি ফলের গাছ। বাজারে চাহিদা বাড়তে থাকায় অনেকেই এখন প্যাশন ফ্রুট চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। বাণিজ্যিকভাবে চাষ করলে এই ফল থেকে ভালো মুনাফাও পাওয়া সম্ভব।
প্যাশন ফ্রুট, যাকে অনেক জায়গায় ‘আনারকলি ফল’ নামেও ডাকা হয়, মূলত একটি লতানো উদ্ভিদ। এই গাছ সহজেই বাড়ির ছাদ, বারান্দা বা মাচায় চাষ করা যায়। বিশেষ যত্ন ছাড়াই এটি বেড়ে ওঠে এবং একবার ফল ধরলে টানা প্রায় ছয় মাস পর্যন্ত ফল দেয়।
এই ফলের ভিতরে থাকে হলুদাভ রসালো অংশ, যা খেতে যেমন সুস্বাদু, তেমনই পুষ্টিগুণে ভরপুর। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ প্যাশন ফ্রুট শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এর রস জলের সঙ্গে মিশিয়ে সহজেই তৈরি করা যায় সতেজ পানীয়।
প্যাশন ফ্রুট, যাকে অনেক জায়গায় ‘আনারকলি ফল’ নামেও ডাকা হয়, মূলত একটি লতানো উদ্ভিদ। এই গাছ সহজেই বাড়ির ছাদ, বারান্দা বা মাচায় চাষ করা যায়। বিশেষ যত্ন ছাড়াই এটি বেড়ে ওঠে এবং একবার ফল ধরলে টানা প্রায় ছয় মাস পর্যন্ত ফল দেয়।
তবে এই গাছের চাষ করতে গেলে পর্যাপ্ত রোদ ও জল নিষ্কাশনের ভাল ব্যবস্থা থাকা জরুরি। বেলে-দোআঁশ মাটিতে প্যাশন ফ্রুট সবচেয়ে ভাল ফলন দেয়। নিয়মিত জলসেচ ও সামান্য জৈব সার প্রয়োগ করলে গাছ দ্রুত বাড়ে এবং ফলনও বাড়ে। তাই অল্প জায়গাতেই সহজ পদ্ধতিতে এই গাছ লাগিয়ে যেমন পাওয়া যাবে সুস্বাদু ফল, তেমনই বাড়বে অতিরিক্ত আয়ের সম্ভাবনাও।
(Feed Source: news18.com)
