)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: পুরীর (Puri) রহস্য জানার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে গোটা দেশ। আর এরই মধ্যে বড় খবর পুরীতে। পুরীর জগন্নাথ মন্দিরের (Puri Jagannath Temple) তিন বিগ্রহের জন্য নতুন বিশ্রামের স্থান তৈরি হল। শ্রীজগন্নাথ মন্দির প্রশাসন (SJTA) আজ, মঙ্গলবার জগন্নাথ, বলভদ্র এবং সুভদ্রার জন্য নবনির্মিত এক ‘রত্ন পালঙ্ক’ উৎসর্গ করেছে। পুরনো পালঙ্কগুলি জরাজীর্ণ হয়ে যাওয়ায় সেগুলির পরিবর্তে এই নতুন পালঙ্কগুলি আনা হয়েছে।
সুযোগ পেয়ে ধন্য
এসজেটিএ (SJTA)-এর প্রধান প্রশাসক অরবিন্দ কুমার পাধী বলেন, মহাপ্রভুর ঐশ্বরিক কৃপায় আমরা শ্রীজগন্নাথ মন্দিরের ঐতিহ্যবাহী সেবা-পূজা অনুযায়ী নতুন রত্নপালঙ্ক উৎসর্গ করার এই পবিত্র সুযোগ পেয়ে ধন্য হয়েছি। এই কাজে সমস্ত সেবায়েতদের আন্তরিক সমর্থনের জন্যআমি তাঁদের আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। মন্দির প্রশাসনের সূত্র অনুযায়ী, শাল কাঠ দিয়ে তৈরি পুরনো পালঙ্কগুলি মন্দির চত্বরের ভেতরেই অবস্থিত ‘নীলাদ্রি মিউজিয়ামে’ সংরক্ষণ করা হবে।
রত্ন-সিংহাসনের নীচে
ঐতিহ্যগত ভাবে, প্রায় ৫ ফুট লম্বা এবং ৩ ফুট চওড়া এই রত্ন পালঙ্কগুলি গর্ভগৃহের ভেতরে রত্ন সিংহাসনের নীচে রাখা হয়। দুপুরে এবং রাতে বিগ্রহদের ভোগ নিবেদনের পরে সেবায়েতরা তাঁদের সিংহাসন থেকে নেমে আসার জন্য আমন্ত্রণ জানান এবং প্রতীকীভাবে পালঙ্কগুলিতে বিশ্রাম নিতে বলেন। এই সময়ে গর্ভগৃহ বন্ধ থাকে।
নতুন পালঙ্ক
পবিত্র অভিষেক অনুষ্ঠানের পরে দেববিগ্রহ এই পালঙ্কে বিশ্রাম করছেন। বার্মা সেগুন কাঠে তৈরি, রুপোর প্রলেপ দেওয়া এই জমকালো পালঙ্কগুলিতে বিশ্রাম নিতে শুরু করেছেন এই তিন দেবতা। বিছানাগুলি সূক্ষ্ম নকশায় সজ্জিত, এতে হাতির দাঁতের কারুকার্যও রয়েছে। মন্দিরসূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন শয্যাগুলি মূল্যবান রত্নখচিত। তবে, ভারতের বন্যপ্রাণী সুরক্ষা আইনে যেহেতু নতুন হাতির দাঁত সংগ্রহ নিষিদ্ধ, তাই পুরনো পালঙ্ক থেকে সংগৃহীত হাতির দাঁতগুলিই নতুন পালঙ্কে ব্যবহার করা হয়েছে। রুপোর প্রলেপ দেওয়ার ফলে পালঙ্কগুলির জৌলুস বৃদ্ধি পেয়েছে। একজন দাতা এই কাজের জন্য প্রয়োজনীয় রুপো দান করেছেন।
(Feed Source: zeenews.com)
