বন্দুক হাতে ক্লাসে ঢুকে এল ১৩ বছরের ছেলে ! তারপর… ঘটনা জানাজানি হতেই শিউরে উঠলেন সকলে

বন্দুক হাতে ক্লাসে ঢুকে এল ১৩ বছরের ছেলে ! তারপর… ঘটনা জানাজানি হতেই শিউরে উঠলেন সকলে
তুরস্ক : তুরস্কের স্কুলে সাংঘাতিক কাণ্ড। ১৩ বছরের এক বালক স্কুলের ভিতর এলোপাথাড়ি গুলি চালিয়েছে। তার জেরে মৃত্যু হয়েছে ৯ জনের। আহত হয়েছে ১৩ জন। আচমকা গুলি চলায় জানলা থেকে ঝাঁপ দিয়ে পালানোর চেষ্টা করেছিলেন অনেকে। সেই সময়েও আহত হন অনেকজন। ২ দিনের মধ্যে তুরস্কে স্কুলের মধ্যে গুলি চলার এটি দ্বিতীয় ঘটনা বলে জানানো হয়েছে পুলিশের তরফে। বুধবার এই ঘটনা ঘটেছে তুরস্কের দক্ষিণে Kahramanmaras প্রদেশে। এই অঞ্চলে এভাবে প্রকাশ্যে এলোপাথাড়ি গুলি চলার ঘটনা সচরাচর দেখা যায় না। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, আহত ১৩ জনের মধ্যে ৬ জন ইনটেনসিভ কেয়ারে রয়েছে। তাদের মধ্যে ৩ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক।

Kahramanmaras প্রদেশের রাজ্যপাল Mukerrem Unluer সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, এক ছাত্র ব্যাগে করে বন্দুক নিয়ে স্কুলে এসেছিল। অনুমান ওই বন্দুক তার বাবার। দুটো ক্লাসরুমে ঢুকে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় ওই ছাত্র। এর ফলে মৃত্যু হয়েছে অনেকের। আহত হয়েছে অনেকেই। যে ১৩ বছরের ছাত্র বন্দুক নিয়ে এসে স্কুলের ভিতর গুলি চালিয়েছে, সে ক্লাস এইটের ছাত্র বলে জানা গিয়েছে। বাচ্চাটির বাবা একজন প্রাক্তন পুলিশ অফিসার, এমনটাই জানা গিয়েছে। অনুমান করা হচ্ছে বাচ্চাটি ৫টি বন্দুক এবং ৭টি ম্যাগাজিন ব্যাগে করে নিয়ে স্কুলে এসেছিল। ওই ছাত্রেরও মৃত্যু হয়েছে এই ঘটনায়। জানা গিয়েছে, গুলি চালানোর সময় সম্ভবত নিজেকেও গুলি করেছিল ওই ছাত্র। আর তার জেরেই মৃত্যু হয়েছে বাচ্চাটির।

ওই ছাত্র কেন নিজেকে গুলি করেছিল তা স্পষ্ট নয়। এটা আত্মহত্যার ঘটনা, নাকি অন্যদের উপর গুলি চালানোর সময় অসাবধানে বাচ্চাটি নিজের উপরেও গুলি চালিয়ে দিয়েছে তা নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। বাচ্চাটি সম্ভবত তার বাবার বন্দুক নিয়েই স্কুলে ঢুকেছিল। কেন সে বন্দুক নিয়ে স্কুলে এসেছিল, কারও সঙ্গে কি ওই ছাত্রের শত্রুতা ছিল যে বদলা নিতেই এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, নাকি এর পিছনে রয়েছে অন্য কোনও কারণ রয়েছে – সবদিক খতিয়ে দেখে আসল কারণ জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে প্রত্যক্ষদর্শীদের। ১৩ বছরের এক ছাত্র কেন এমন নৃশংস কাণ্ড ঘটালো, তা ভেবে কুলকিনারা পাচ্ছেন না কেউই। কেন বাচ্চাটি বন্দুক নিয়ে স্কুলে এসেছিল, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে সকলের মনে।

(Feed Source: abplive.com)