Education Fair: উচ্চ মাধ্যমিক বা গ্যাজুয়েশনের পর কোন পথে চললে মিলবে চাকরি? পড়ুয়াদের সঠিক দিশা দেখাতে নয়া উদ্যোগ নদিয়ায়

Education Fair: উচ্চ মাধ্যমিক বা গ্যাজুয়েশনের পর কোন পথে চললে মিলবে চাকরি? পড়ুয়াদের সঠিক দিশা দেখাতে নয়া উদ্যোগ নদিয়ায়

Education Fair: আধুনিক সময়ের প্রতিযোগিতামূলক বাজারে সঠিক পাঠ্যক্রম বেছে নেওয়াই এখন সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ পড়ুয়াদের কাছে। ছাত্রছাত্রীদের সেই দিশা দেখাতেই নদিয়ার শান্তিপুরে দ্বিতীয় বছরের জন্য আয়োজিত হল ‘এডুকেশন ফেয়ার’।

শিক্ষামূলক মেলা জেলাতেই 

শান্তিপুর, নদিয়া, মৈনাক দেবনাথ: উচ্চমাধ্যমিক বা স্নাতক স্তরের পড়াশোনা শেষ করার পর কোন পথে হাঁটলে মিলবে নিশ্চিত কর্মসংস্থান? আধুনিক সময়ের প্রতিযোগিতামূলক বাজারে সঠিক পাঠ্যক্রম বেছে নেওয়াই এখন সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ পড়ুয়াদের কাছে। ছাত্রছাত্রীদের সেই দিশা দেখাতেই নদিয়ার শান্তিপুরে দ্বিতীয় বছরের জন্য আয়োজিত হল ‘এডুকেশন ফেয়ার’। শান্তিপুরে আয়োজিত এই মেলায় প্রথম দিন থেকেই লক্ষ্য করা গিয়েছে উপচে পড়ে ভিড়। তিন দিনব্যাপী এই শিক্ষামূলক মেলায় অংশ নিয়েছে রাজ্যের প্রায় ১০ থেকে ১৫ টি প্রথম সারির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

অংশগ্রহণকারী সংস্থাগুলোর তালিকায় রয়েছে সিস্টার নিবেদিতা ইউনিভার্সিটি, ডলফিন হোটেল ম্যানেজমেন্ট, এসবিআইএইচএম (SBIHM), রাইস (RICE), আইডিয়াল এবং দিল্লির স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ‘ক্রপ’ (CROP)। প্রতিটি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা সরাসরি পড়ুয়া, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে আলাপচারিতায় মেতেছেন।

সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর পাঠদান পদ্ধতি, বিভিন্ন বৃত্তিমূলক কোর্স এবং সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ‘প্লেসমেন্ট’ বা চাকরির সুযোগ নিয়ে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হচ্ছে এই মঞ্চে। মেলার আয়োজক কমিটির পক্ষে প্রবাল চৌধুরী জানান, “এবারের মেলার মূল লক্ষ্য হল ছাত্রছাত্রীদের ভবিষ্যতের সঠিক পথ প্রদর্শক হওয়া।

উচ্চমাধ্যমিকের পর কোন দিকে এগোলে উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ গড়া সম্ভব, তা নিয়ে অনেকের মধ্যেই ধোঁয়াশা থাকে। সেই বিভ্রান্তি কাটাতেই এই আয়োজন।” তিনি আরও জানান, মেলার প্রচারের জন্য জেলার বিভিন্ন স্কুল ও কলেজে বিশেষ প্রচার অভিযান চালানো হয়েছিল, যার ফলস্বরূপ মেলায় অভাবনীয় সাড়া মিলেছে। বিশেষ করে প্লেসমেন্ট গ্যারান্টি এবং বিভিন্ন কোর্সের বেতন কাঠামো নিয়ে পড়ুয়াদের মধ্যে প্রবল আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। শান্তিপুরের মতো মফস্বল শহরে এই ধরনের কর্মসংস্থানমুখী উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় শিক্ষাবিদ ও অভিভাবক মহল।

অভিভাবকেরা জানাচ্ছেন, বিদ্যালয়ে পড়াশোনা করার পর ভবিষ্যতে কি নিয়ে পড়বে তার জন্য কাউন্সিলিং করতে যেতে হত কলকাতা কিংবা অন্যত্র বড় শহরে। এবার এই এডুকেশন ফেয়ারের ফলে স্কুলে পড়ার সময় থেকেই ছাত্র-ছাত্রীরা সিদ্ধান্ত নিতে পারছে ভবিষ্যতে কি নিয়ে পড়তে পারবে তারা। এর ফলে সময় ও অর্থ দুটোই সাশ্রয় হবে। এবং ভবিষ্যতের সঠিক মার্ক দর্শন থাকবে প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীর।