
Knowledge Story: ভারতে এমন কোন মানুষ রয়েছেন যাঁকে কখনও গ্রেফতার করা যাবে না? কেন? জানুন বিশদে…
ভারতে এমন কোনও ব্যক্তি আছে কি যাঁকে গ্রেফতার করা যায় না? এই প্রশ্ন অনেকের মনেই আসে, এবং এর উত্তর ভারতীয় সংবিধানেই স্পষ্টভাবে দেওয়া আছে। সংবিধান অনুযায়ী, কিছু সাংবিধানিক পদাধিকারী তাঁদের কার্যকালের সময় নির্দিষ্ট আইনি সুরক্ষা পান।
কখনও ভেবেছেন এই প্রশ্নের উত্তর? ভারতে এমন কোন মানুষ রয়েছেন যাঁকে কখনও গ্রেফতার করা যাবে না? কেন? জানুন বিশদে…
ভারতের রাষ্ট্রপতিকে তাঁর পুরো কার্যকালে ফৌজদারি মামলায় গ্রেফতার বা আটক করা যায় না। একইভাবে তাঁর বিরুদ্ধে কার্যকালের সময় কোনও ফৌজদারি মামলা শুরু বা পরিচালনাও করা যায় না। আদালত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও গ্রেফতারি পরোয়ানা বা কারাদণ্ডের নির্দেশও জারি করতে পারে না।
অনুরূপভাবে রাজ্যপালদের ক্ষেত্রেও তাঁদের দায়িত্বকাল চলাকালীন একই ধরনের সাংবিধানিক সুরক্ষা কার্যকর থাকে। সংবিধানের অনুচ্ছেদ 361 অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপালকে এই বিশেষ আইনি রক্ষা প্রদান করা হয়েছে, যাতে তাঁদের দায়িত্ব পালনের সময় কোনো ফৌজদারি পদক্ষেপ তাঁদের বিরুদ্ধে নেওয়া না যায়।
সংবিধানের অনুচ্ছেদ 361(2) অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতি বা রাজ্যপালের বিরুদ্ধে তাঁদের কার্যকালে কোনও ফৌজদারি মামলা শুরু করা বা চালানো যায় না। আবার অনুচ্ছেদ 361(3) অনুযায়ী তাঁদের বিরুদ্ধে কোনও গ্রেফতারি পরোয়ানা বা কারাদণ্ডের নির্দেশ আদালত থেকে জারি করা সম্ভব নয়।
তবে এই সুরক্ষা শুধুমাত্র তাঁদের পদে থাকা অবস্থায় প্রযোজ্য। পদ ছাড়ার পর সাধারণ আইন তাঁদের ক্ষেত্রেও সমানভাবে কার্যকর হয়। অর্থাৎ তাঁরা আজীবন আইনের ঊর্ধ্বে নন।
উপরাষ্ট্রপতি, সংসদ সদস্য, বিধায়ক বা বিচারপতিদের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতি বা রাজ্যপালের মতো পূর্ণ সুরক্ষা নেই। তাঁরা নির্দিষ্ট শর্তে ফৌজদারি মামলায় গ্রেফতার হতে পারেন।
সার্বিকভাবে বলা যায়, ভারতে কেউই সম্পূর্ণভাবে আইনের বাইরে নন। শুধুমাত্র রাষ্ট্রপতি ও রাজ্যপাল তাঁদের কার্যকালের সময় সীমিত সাংবিধানিক সুরক্ষা পান, যা মূলত দায়িত্ব পালনের স্বাধীনতা নিশ্চিত করার জন্য দেওয়া হয়েছে।
(Feed Source: news18.com)
