জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: বিয়েতে পণ নেওয়া অপরাধ, কিন্ত দেওয়া নয়! স্ত্রী ও তাঁর পরিবারকে রক্ষাকবচ দিল সুপ্রিম কোর্ট। বিচারপতি সঞ্জয় কুমার ও বিচারপতি কে বিনোদ চন্দ্রণের ডিভিশন বেঞ্চের রায়, পণ দেওয়ার জন্য স্ত্রী বা তাঁর বিরুদ্ধে কোনও মামলা দায়ের করা যাবে না।
আইনত নিষিদ্ধ। কিন্তু এদেশের বিয়েতে পণ বা যৌতুক দেওয়ার রেওয়াজ বন্ধ হয়নি এখনও। ভালো পাত্র পেলে অনেক সময়ই পণ দিয়ে পাত্রীর পরিবার যেমন পিছুপা হন না, তেমনি ঝোপ বুঝে কোপ মারতে কসুর করেননি পাত্রপক্ষও। সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণ, ‘অনেক সময় স্বামী বা তাঁর পরিবার পালটা চাপ সৃষ্টি করার জন্য স্ত্রীর বিরুদ্ধে যৌতুক দেওয়ার অভিযোগ তোলে। কিন্তু যৌতুক নিরোধক আইনের উদ্দেশ্য হল নির্যাতিতাকে সুরক্ষা দেওয়া, তাঁকে শাস্তির মুখে ঠেলে দেওয়া নয়’।
দেশের শীর্ষ আদালত বলছে, ‘যৌতুক নিরোধক আইনে’ (Dowry Prohibition Act) পণ দেওয়ার অপরাধ। কিন্তু কোনও মহিলা যখন পণ চাওয়ার বা পণ দেওয়ার অভিযোগ দায়েক করেন, তখন তাঁকে অপরাধের শিকার বলে গণ্য় করা হয়। ফলে স্বামী বা শ্বশুরবাড়ির লোকেরা যদি দাবি করেন যে, তাঁরা যৌতুক দিয়েছেন। সেই কারণে পাত্রীপক্ষকেও শাস্তি পেতে হবে। তাহলে আইনের মূল উদ্দেশ্য় ব্যর্থ হয়ে যায়।
অনেক সময়ই দেখা যায়, পণের মামলা হাত থেকে বাঁচতে বা পাত্রীপক্ষকে আপসে বাধ্য করতে পালটা মামলা দায়ের করা হয়। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে এখন অভিযোগকারী মহিলা ও তাঁর পরিবার হয়রানির হাত থেকে রক্ষা পাবে। স্ত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর নিজের পরিবারকে পণ দেওয়ার অপরাধে আর অভিযুক্ত করা যাবে না।
(Feed Source: zeenews.com)
