অনুব্রত মণ্ডল থেকে SIR ইস্যু, গোষ্ঠীকোন্দল, হুমায়ুন কবীর.. বীরভূমের ভোট প্রসঙ্গে শতাব্দী রায়

অনুব্রত মণ্ডল থেকে SIR ইস্যু, গোষ্ঠীকোন্দল, হুমায়ুন কবীর.. বীরভূমের ভোট প্রসঙ্গে শতাব্দী রায়

 

  • শতাব্দী রায় আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূলের তারকা প্রচারক।
  • বিজেপি ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভোটারদের নাম বাদ দিচ্ছে।
  • হুমায়ুন কবীরের দলে ভোট দেওয়া মানে বিজেপিকে সমর্থন।
  • নির্বাচনে গোষ্ঠী থাকলেও সকলে একসঙ্গেই কাজ করে।

কলকাতা: নিজে ভোটে লড়ছেন না বটে, তবে এবারের নির্বাচনে তিনি তারকা প্রচারক। বীরভূমের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায় (Satabdi Roy)। জেলায় জেলায় ঘুরছেন তিনি, মন বোঝার চেষ্টা করছেন ভোটারদের। ২০২৬ সালের নির্বাচনে কেমন বুঝছেন পরিবেশ পরিস্থিতি? এবিপি আনন্দকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে, নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বললেন অভিনেত্রী সাংসদ শতাব্দী রায়।

২০২৬-এর নির্বাচন আলাদা?

এর আগেও নির্বাচনে লড়েছেন, প্রচার ও করেছেন। তবে ২০২৬-এ রাজনৈতিক সমীকরণ কী আলাদা? শতাব্দী বলছেন, ‘বিজেপি এই নির্বাচনটা অরাজনৈতিক নির্বাচনে পরিণত করেছে। মানুষ ভোট দিতে যাবেন.. কাকে দেবেন, কাকে দেবেন না, সেটা আলাদা বিষয়। কিন্তু যেভাবে বিজেপি ক্ষমতার অপব্যবহার করছে, সেটা মেনে নেওয়া যায় না। SIR-এ যেভাবে নাম বাদ দিচ্ছে। তাঁদের নাগরিকত্ব দেবে না এটা বলছে না, তাঁদের পাশে রাখছে যাতে সেই ভোট তৃণমূলে না পড়ে। যাতে তৃণমূলের ভোটবাক্স কমে। মৃত ব্যক্তিদের নাম কাটাকে আমরা সমর্থন করছি। যাঁরা এই রাজ্য থেকে চলে গিয়েছেন, তাঁদের নাম কেটে দিক। কিন্তু কোনও বৈধ ভোটারের নাম যেন কাটা না যায়।’

হুমায়ুন কবীর প্রসঙ্গে শতাব্দী

হুমায়ুন কবীরের আম জনতা উন্নয়ন পার্টির মূল টার্গেট হল, সংখ্যালঘু ভোট পাওয়া। সেটা কতটা কাজ করবে? শতাব্দী বলছেন, ‘মানুষের বোঝা উচিত, হুমায়ুনকে জেতানো মানে কিন্তু বিজেপিকেই সমর্থন করা। মসজিদ, মন্দির যে কেউ করতেই পারেন। কিন্তু সেখানে বাবরি নামটা জুড়ে দেওয়া মানেই কিছু মানুষে আঘাত করা এবং কিছু মানুষকে উত্তেজিত করা। যাঁরা এই নির্বাচনী প্রচারে বিভ্রান্ত হবে, তাঁদের বলতে চাই, এই দলে ভোট দেওয়া মানে BJP-কেই সমর্থন করা।’

অনুব্রত মণ্ডল, গোষ্ঠীকোন্দল প্রসঙ্গে শতাব্দী

অনুব্রত মণ্ডল বর্তমানে নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছেন। এখানে সংগঠনটাই কি মূল হয়ে দাঁড়াবে? শতাব্দী বলছেন, ‘হ্যাঁ। সংগঠনটা উনিই করেছেন। অনুব্রত মণ্ডল গুটিয়ে রয়েছে বা ভোট করছে… সেটা সময় বলবে।’ বীরভূমেই কেন বারে বারে প্রকাশ্যে চলে আসে গোষ্ঠীকোন্দল, ক্ষোভ? একাধিকবার ক্ষোভের মুখে পড়েছেন শতাব্দী ও। অভিনেত্রী বলছেন, ‘গোষ্ঠী থাকলেও ওঁরা একসঙ্গে কাজ করেন নির্বাচনের সময়টা। তবে দলে থেকেও যদি কেউ অন্য দলের জন্য ভোট করেন, তাহলে বিরোধিতা তো হবে।’

সামনেই নির্বাচন, নিজের মতো করে ঘুঁটি সাজাচ্ছেন সবাই। উত্তর মিলবে ৪ মে।

(Feed Source: abplive.com)