UP Shocker: ১১ বছরের যমজ মেয়ের গলা কাটল বাবা, রক্তমাখা অবস্থায় নিজেই পুলিসকে জানাল

UP Shocker: ১১ বছরের যমজ মেয়ের গলা কাটল বাবা, রক্তমাখা অবস্থায় নিজেই পুলিসকে জানাল

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ১১ বছরের দুই যমজ মেয়েকে গলা কেটে খুন করল বাবা। রবিবার ভোরে নিজের ফ্ল্যাটেই এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটায় অভিযুক্ত শশী রঞ্জন মিশ্র। ঘটনাটি উত্তরপ্রদেশের কানপুরে।

জানা গিয়েছে, পেশায় মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ শশী রঞ্জন আদতে বিহারের বাসিন্দা। সে স্ত্রী রেশমা, দুই যমজ মেয়ে ঋদ্ধি ও সিদ্ধি এবং ছয় বছরের ছেলেকে নিয়ে কানপুরের একটি ফ্ল্যাটে থাকত। পুলিস জানায়, মেয়েদের খুনের পর শশী নিজেই পুলিসকে ফোন করে অপরাধের কথা স্বীকার করেন।

তদন্তে জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে স্ত্রীকে সন্দেহ করত শশী। এমনকী প্রায়ই সে স্ত্রীকে বলত যে, স্ত্রী যেন ছেলেকে নিয়ে আলাদা থাকেন এবং সে নিজে মেয়েদের দেখাশোনা করবে। স্ত্রী রেশমার দাবি, শশী মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন এবং বাড়ির ভেতরেও একাধিক সিসিটিভি (CCTV) ক্যামেরা লাগিয়ে রেখেছিল। এমনকি মেয়েদের ঘরেও তাকে ঢুকতে দেওয়া হত না। রেশমা জানান, শনিবার রাতে খাওয়ার পর দুই মেয়েকে নিয়ে ঘুমাতে যায় শশী। রাত আড়াইটা নাগাদ তিনি এক মেয়েকে নিয়ে বাথরুমে যায় এবং ফিরে আসার পর ঘরের আলো নিভিয়ে দেয়। এর প্রায় দুই ঘণ্টা পর ভোরবেলায় শশী নিজেই পুলিসকে ফোন করে জানান যে তিনি মেয়েদের মেরে ফেলেছে।

খবর পেয়ে পুলিস ঘটনাস্থলে পৌঁছে রক্তাপ্লুত অবস্থায় দুই কিশোরীর দেহ উদ্ধার করে। সেই সময় অভিযুক্ত শশী রঞ্জন ঘরের ভেতরেই ছিলেন। পুলিস তাকে তৎক্ষণাৎ গ্রেফতার করেছে। ডেপুটি কমিশনার দীপেন্দ্র নাথ চৌধুরী জানিয়েছেন, ‘অভিযুক্ত বাবাকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে তদন্ত চালানো হচ্ছে। মৃতদেহগুলো ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।’

উল্লেখ্য, পেশায় রূপচর্চাশিল্পী রেশমার বাড়ি পশ্চিমবঙ্গে। ২০১৪ সালে কানপুরে কাজ করার সময় শশীর সঙ্গে তার পরিচয় ও বিয়ে হয়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

(Feed Source: zeenews.com)