SIR: আধার-পাসপোর্ট থাকলে দ্রুত শুনানি করতে হবে, ভোট বাংলায় SIR ট্রাইবুন্যাল নিয়ে বিরাট নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

SIR: আধার-পাসপোর্ট থাকলে দ্রুত শুনানি করতে হবে, ভোট বাংলায় SIR ট্রাইবুন্যাল নিয়ে বিরাট নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

রাজীব চক্রবর্তী: অনেকেরই বৈধ কাগজপত্র রয়েছে তার পরেও তার নাম ভোটাল লিস্ট থেকে বাদ পড়ে গিয়েছে। এমনও দেখা গিয়েছে, বাবার নাম রয়েছে। ছেলেদের নাম নেই। এদের কাছে এখন একটাই রাস্তা-ট্রাইবুন্যাল। সোমবার এসআইআর নিয়ে হওয়া একটি মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট।

ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ পড়া এক মহিলার করা মামলায় জরুরি হস্তেক্ষপ করল সুপ্রিম কোর্ট। কী নিয়ে মামলা? ওই মহিলার অভিযোগ, তাঁর আধার রয়েছে, পাসপোর্ট রয়েছে এমনকি ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নামও রয়েছে। তারপরেও তার নাম ভোটার লিস্ট থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে।

ওই মহিলার দাবি, গত ২৭ মার্চ এক জুডিশিয়াল অফিসারের নির্দেশ তাঁর তাম ভোটার তালিকা থেকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয়েছে। তার পরে নিয়ম অনুযায়ী তিনি অ্যাপিলেড ট্রাইবুন্যালে আবেদন করে তালিকায় নাম তোলার জন্য। কিন্তু এখনও তাঁর নাম তালিকাভূক্ত হয়নি। এদিকে, আগামী ২৯ এপ্রিল বাংলায় দ্বিতীয় দফার ভোট। তার আগে ২৭ এপ্রিল তালিকা প্রকাশ হওয়ার কথা।

ওই মামলায় সুপ্রিম কোর্টে জরুরি শুনানির আবেদন জানান। সেই আবেদনের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের বেঞ্চের তরফে নির্দেশ দেওয়া হয়, অ্যাপিলেড ট্রাইবুন্যালকে ‘আউট অব টার্ন’ ভিত্তিতে দ্রুত আবেদনটির শুনানি করতে হবে।

উল্লেখ্য, যাদের ট্রাইব্যুনালে যেতে হয়েছে তাদের নাম ভোটার তালিকায় শেষপর্যন্ত উঠবে কিনা তা নিয়ে সন্ধিহান অনেকেই। যাদের ওই মহিলার মতো সমস্যা রয়েছে তাদের অনেকেই সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে সাহস পাবেন। কিন্তু বাংলার মত রাজ্যে ট্রাইবুন্যালের যে ক্ষমতা তাতে ভোটের আগে শুনানি হবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই পারে।

এদিকে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যে ভোটার বৃদ্ধির সর্বশেষ পরিসংখ্যান প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। বাড়ল ৭ লক্ষ ভোটার। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর থেকে দ্বিতীয় দফার মনোনয়ন জমার শেষ দিন পর্যন্ত এই ৭ লক্ষ ভোটারের নাম যুক্ত হয়েছে।

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ফর্ম-৬ জমা দেওয়ার মাধ্যমে মোট প্রায় ৭ লক্ষ আবেদন জমা পড়েছিল। যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার শেষে এই আবেদনকারীদের নাম চূড়ান্ত তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। গত ৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফার মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন পর্যন্ত মোট ৬ লক্ষ ৯৬ হাজার ৮২৪ জন নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে প্রথম দফায় বৃদ্ধি: ৩ লক্ষ ২২ হাজার ১৭ জন। দ্বিতীয় দফায় বৃদ্ধি: ৩ লক্ষ ৮৭ হাজার ৭৪৭ জন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিনেই ১ লক্ষ ৮৮ হাজার ২০৭ জন নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছিলেন। পরবর্তী এক মাসে আরও প্রায় ৫ লক্ষ নতুন নাম তালিকায় সংযোজিত হয়েছে।

জেলা ভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যাচ্ছে, দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেই ভোটার বৃদ্ধির হার উল্লেখযোগ্য। তালিকায় শীর্ষে রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা- ৭১ হাজারের বেশি নতুন ভোটার। কলকাতা- প্রায় ৪৪ হাজার নতুন ভোটার। এছাড়াও হাওড়া, হুগলি এবং পূর্ব মেদিনীপুরেও বিপুল সংখ্যক নতুন ভোটার যুক্ত হয়েছেন।

(Feed Source: zeenews.com)