তবে, ইরানের হামলার তীব্রতা সম্বন্ধে স্পষ্ট করে কিছু জানা যায়নি। কত সংখ্যক ড্রোন ব্যবহার করা হয়েছে বা মার্কিন সম্পত্তির কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে কি না তাও স্পষ্ট নয়। আগের দিনই ইরানের আব্বাস বন্দরগামী একটি কার্গো জাহাজকে লক্ষ্য করে গোলাগুলি চালিয়েছিল মার্কিন সামরিক বাহিনী। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, হরমুজ প্রণালীর কাছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আরোপ করা নৌ অবরোধ লঙ্ঘনের চেষ্টা করেছিল ইরানের জাহাজটি। Truth Social-এ একটি পোস্টে ট্রাম্প জানান, সতর্কবার্তা উপেক্ষা করার পর মার্কিন মেরিন সেনা জাহাজটি বাজেয়াপ্ত করে। তিনি লেখেন, “এই মুহূর্তে জাহাজটি মার্কিন মেরিন সেনার নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। জাহাজটির সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ আমাদের হাতে এবং আমরা দেখছি এর ভেতরে কী আছে।”
এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য সংঘর্ষবিরতির সময় পর্যন্ত হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া হচ্ছে – ভারতীয় সময় শুক্রবার সন্ধের দিকে প্রকাশ্যে আসে ইরানের বিদেশমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচির এই ঘোষণা। যুদ্ধবিরতির আবহে তেহরানের এই ঘোষণায় বিশ্বজুড়ে স্বস্তির আবহ তৈরি হতে না হতেই কাটে সুর। সিদ্ধান্ত বদলে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেয় ইরান। সংবাদসংস্থা সূত্রের খবর, প্রণালী খোলা থাকার সময় হরমুজ পেরোতে গেলে ভারতের ২টি তেলবাহী ট্যাঙ্কার লক্ষ্য করে গুলি চালায় ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড। হরমুজ প্রণালীর প্রবেশমুখে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জায়গা কেশম ও লারাক দ্বীপের মধ্যবর্তী জলসীমায় ঘটনাটি ঘটে। যার জেরে ২টি জাহাজই পিছু হঠতে বাধ্য হয়। তবে কোনও হতাহত হয়নি। একটি ট্যাঙ্কার ট্র্যাকার সাইটের তথ্য অনুযায়ী, গুলির চলার পর ২টি ভারতীয় জাহাজ ও একটি গ্রিক জাহাজকে গতিপথ পরিবর্তন করতে হয়। তাদের মধ্যে একটি ভারতীয় ট্যাঙ্কার ২০ লক্ষ ব্যারেল তেল নিয়ে ইরাক থেকে আসছিল। এই ঘটনার জেরে আন্তর্জাতিক বাজারে ফের তৈরি হয় অস্থিরতা।
(Feed Source: abplive.com)
