Viral News: নামী-দামি কোম্পানির ক্যান কফিতে ‘মৃত ইঁদুর’? ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

Viral News: নামী-দামি কোম্পানির ক্যান কফিতে ‘মৃত ইঁদুর’? ভাইরাল ভিডিও ঘিরে তুঙ্গে বিতর্ক

Viral News: সত্যি না সাজানো? দামি কোম্পানির ক্যান কফি বিতর্কে দ্বিধায় নেটদুনিয়া! সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়… দেখুন

ক্যান থেকে উদ্ধার ইঁদুর

একটি ক্যানজাত কফি পানীয় নিয়ে চাঞ্চল্যকর দাবি সামনে এনেছেন এক মহিলা। তাঁর অভিযোগ, Starbucks-এর একটি ক্যান খুলে তিনি ভেতরে এমন কিছু পেয়েছেন, যা দেখে সামাজিক মাধ্যমে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। কেউ বিষয়টিকে ঘৃণ্য বলে মন্তব্য করছেন, আবার অনেকেই এর সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন।

ক্যান কেটে দেখলেন ভিতরে কী আছে

ঘটনাটি প্রথম সামনে আসে Reddit-এ পোস্ট হওয়া একটি ভিডিওর মাধ্যমে, যা পরে X-সহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ছড়িয়ে পড়ে। ভিডিওতে দেখা যায়, ওই মহিলা দাবি করছেন যে, তাঁর না খোলা Starbucks Double Shot Energy drink ক্যানের ভিতরে অস্বাভাবিক কিছু অনুভব করেছিলেন।

এরপর তিনি ক্যানটি কেটে খোলেন। কফি ঢালার সময় একটি ছোট, কালচে বস্তু বেরিয়ে আসে, যা দেখতে মৃত ইঁদুরের মতো। আশেপাশের লোকজনকে তখন বিস্ময় ও অস্বস্তি প্রকাশ করতে শোনা যায়।

সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন
ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসতেই নেটমাধ্যমে শুরু হয়েছে তর্ক-বিতর্ক। অনেকেই ক্যান খোলার পদ্ধতি নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছেন। কারও মতে, ক্যান খোলার ধরণ স্বাভাবিক নয়। আবার কেউ বলেছেন, এতদিন ক্যানের ভিতরে থাকলে বস্তুটির পচন হওয়ার কথা—যা ভিডিওতে দেখা যায়নি। কিছু ব্যবহারকারী সরাসরি এটিকে “নকল” বলেও দাবি করেছেন এবং এমন ভিডিও সংস্থার বিরুদ্ধে মানহানির মামলার কারণ হতে পারে বলেও মত দিয়েছেন।
আইনি পদক্ষেপের জল্পনাভিডিওর কিছু সংস্করণে দাবি করা হয়েছে, ওই মহিলা নাকি আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন। তবে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও সরকারি নিশ্চিত তথ্য বা প্রমাণ সামনে আসেনি। একইসঙ্গে, ঘটনাটি নিয়ে কোনও আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু হয়েছে বলেও জানা যায়নি।
ক্যানজাত পানীয় তৈরির প্রক্রিয়া

বিশেষজ্ঞদের মতে, ক্যানজাত পানীয় সাধারণত কঠোর সুরক্ষা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে তৈরি হয়। এতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, সিলিং এবং একাধিক স্তরের মান নিয়ন্ত্রণ থাকে, যাতে বাইরের কোনও বস্তু ভেতরে প্রবেশ করতে না পারে। যদিও বিরল ক্ষেত্রে ত্রুটি ঘটতে পারে, সেক্ষেত্রে দ্রুত তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা—যেমন পণ্য প্রত্যাহার—নেওয়া হয়। সব মিলিয়ে, ভাইরাল এই ভিডিও ঘিরে এখনও ধোঁয়াশা কাটেনি। ঘটনার সত্যতা নিয়ে যেমন প্রশ্ন রয়েছে, তেমনই কোনও নিশ্চিত প্রমাণ না থাকায় বিতর্কও থামছে না।