
লোকটি তাঁর দাবির পক্ষে যুক্তি হিসেবে আরও বলেন যে, গবেষণায় দেখা গেছে যেসব নারীর একাধিক পূর্ববর্তী সঙ্গী থাকে, ভবিষ্যতে তাদের বিশ্বাস ভঙ্গকারিণী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তবে, জানা গিয়েছে, তিনি কোন গবেষণার কথা বলছিলেন তা বলতে পারেননি।
এর পর ঐন্দ্রিলা তাঁর প্রত্যাশার মধ্যে একটি অসঙ্গতি তুলে ধরলেন। তিনি তাঁকে বললেন যে, যদিও তার সমস্ত শর্ত পূরণ করতে পারে এমন কোনও নারী হয়তো থাকতেও পান, তবে তিনি সম্ভবত একটি রক্ষণশীল পরিবার থেকে আসবেন, যাঁরা ৩৭ বছর বয়সি একজন ডিভোর্সি পুরুষকে উপযুক্ত পাত্র হিসেবে মানতে রাজি নাও হতে পারে।
তবে, ওই ব্যক্তি দাবি করেন যে তিনি ইতিমধ্যেই তাঁর মানদণ্ড অনুযায়ী নারীদের কাছ থেকে প্রস্তাব পাচ্ছেন। তিনি বলেন, তিনি ম্যাচমেকিং সাইটগুলিকে বিশ্বাস করেন না এবং তাঁর হয়ে প্রোফাইলগুলো যাচাই করে দেওয়ার জন্য কাউকে চেয়েছিলেন বলেই ঐন্দ্রিলার প্ল্যাটফর্মে যোগাযোগ করেছিলেন।
ঐন্দ্রিলার এই পোস্টে নেটিজেনরা সমালোচনায় বিদ্ধ করেছেন পাণিপ্রার্থী ওই যুবককে। তবে, সবাই লোকটির সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেননি। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, “আসলে তিনি ঠিকই বলেছেন, বিবাহিত ও তালাকপ্রাপ্ত হওয়া এবং অবিবাহিত অবস্থায় একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক রাখার মধ্যে পার্থক্য আছে। তিনি এটাই বলতে চাইছেন।”
একজন ব্যবহারকারী শিক্ষা ব্যবস্থার সমালোচনা করে লিখেছেন, “এ কারণেই আইভি লিগ কলেজগুলো এবং যে কোনও বিদেশি কলেজ আসন দেওয়ার আগে ব্যক্তিত্ব পরীক্ষা ও সাক্ষাৎকার নেয়… শুধু একটা পরীক্ষা দিলেই যে তুমি আইআইটি-তে সুযোগ পেয়ে যাবে, তা নয়… কী ভারতীয় শিক্ষা ব্যবস্থা…’’
(Feed Source: news18.com)
