
হুগলি নদীর ওপর কাটানো কিছু বিশেষ মুহূর্ত… কলকাতায় এক অবিস্মরণীয় সকাল। pic.twitter.com/VRpkwdcjwl
— Narendra Modi (@narendramodi) April 24, 2026
নৌকাচালক গৌরাঙ্গ বিশ্বাস বলেন, হঠাৎ প্রধানমন্ত্রী এলেন। নৌকায় চড়ল ঘুরে চলে গেল। আমার নাম জিজ্ঞাসা করলেন। আমি নাম বললাম। আর কিছু জিজ্ঞাসা করেননি। গঙ্গার মাঝখানে ঘোরালাম। এদিকে এই সেতুর দিকে, হাওড়ার দিকে, দেখালাম। ঘোরালাম। সব ফটো তুললেন। বেশি না বিল, অল্প..ওই যা হয়েছে তাই দিয়ে গিয়েছেন। হাজার টাকা।
অপর একজন প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, সাড়ে ৬ টায় ২ নং গেটে নামেন। ওখান থেকে পায়ে হেঁটে আসেন। তারপর নৌকাবিহার করেন। ফটো তোলেন। সাড়ে ৬টায় চলে যান।
প্রশ্ন: প্রথমে কি কিছু জানানো হয়েছিল ?
প্রত্যক্ষদর্শী: নানা, কেউ কোনও খবর পাননি। আচমকাই স্যার (প্রধানমন্ত্রী মোদি) এসে যান। ভাবছিলাম, কবে আসবেন, হঠাৎ আজ তারপর চলে আসেন। আমাদের দেখে খুব খুশি হয়েছেন।
দ্বিতীয় নৌকাচালক : আমাদের বলেছিল যে ভ্রমণের জন্য, উনি (মোদি) আসবেন, সেটা আমরা জানতাম না।
প্রশ্ন: কী বলা হয়েছিল ?
দ্বিতীয় নৌকাচালক : কালকে আমাদের বলেন, আমাদের একটা নৌকার মধ্যে, পুজো হবে। কিন্তু সাহেব আসবেন , এটা আমরা জানতাম না। বাবুঘাট থেকে একটা চাওয়ালা বলে গিয়েছিল, আমাদের ৭ খানা নৌকা লাগবে, নৌকার মধ্যে পুজো করব, তো আমরা বললাম, ঠিক আছে আসবেন।
প্রশ্ন: কতটা সময় চেয়েচিলেন ?
দ্বিতীয় নৌকাচালক : সেটা ৬ টার দিকে চেয়েছিলেন। তারপর হঠাৎ উনি এসে গেলেন। তারপর আমরা বুঝতে পারলাম, উনি তো মোদি।
প্রশ্ন: কটা নৌকা গেল ?
দ্বিতীয় নৌকাচালক : সাত খানা নৌকা গিয়েছিল।
প্রশ্ন: কতক্ষণ সময় ছিলেন ?
দ্বিতীয় নৌকাচালক : ১ ঘণ্টা সময় ছিলেন।
‘প্রত্যেক বাঙালির কাছে গঙ্গা একটি অত্যন্ত বিশেষ স্থান অধিকার করে আছে। বলা যায়, গঙ্গা যেন বাংলার আত্মার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। পবিত্র গঙ্গা জল সমগ্র সভ্যতার চিরন্তন চেতনা বহন করে চলেছে। সকালে কলকাতায় আমি হুগলি নদীর তীরে কিছু সময় কাটিয়েছি। মা গঙ্গার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশের সুযোগে পেয়েছি। দেখা হয়েছে প্রাতর্ভ্রমণকারী ও নৌকাচালকদের সঙ্গে। পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন এবং মহান বাঙালি সমাজের সমৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছি’, পোস্টে উল্লেখ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির।
(Feed Source: abplive.com)
