8647: ‘৮৬ ৪৭’ সংখ্যাভয়ে ঠকঠক করে কাঁপছে দোর্দণ্ডপ্রতাপ আমেরিকা; এবার ‘খুন হয়ে যাবেন’ ‘বিষবৃক্ষ’ ট্রাম্প?

8647: ‘৮৬ ৪৭’ সংখ্যাভয়ে ঠকঠক করে কাঁপছে দোর্দণ্ডপ্রতাপ আমেরিকা; এবার ‘খুন হয়ে যাবেন’ ‘বিষবৃক্ষ’ ট্রাম্প?

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরোর (FBI) প্রাক্তন পরিচালক জেমস কোমি (Former FBI Director James Comey) গতকাল, বুধবার আমেরিকার একটি ফেডারেল আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। সমুদ্রসৈকতে শামুক-ঝিনুক দিয়ে বিশেষ ছবি-সংকেত তৈরি হয়েছিল, যেখানে লেখা ছিল ‘৮৬৪৭’ (image of seashells arranged to spell 8647)! এটা নাকি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি (threatening US President Donald Trump)! মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি দেওয়ার এই অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ভার্জিনিয়ার ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট আদালতে হাজির হন জেমস কোমি।

আত্মসমর্পণ

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় তদন্ত ব্যুরোর (এফবিআই) প্রাক্তন পরিচালক জেমস কোমি গতকাল, বুধবার আমেরিকার একটি ফেডারেল আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে করা মামলায় ভার্জিনিয়ার ইস্টার্ন ডিস্ট্রিক্ট আদালতে হাজির হন তিনি।

শামুক-ঝিনুকে মৃত্যু ‘লেখা’

উত্তর ক্যারোলাইনার একটি সৈকতে শামুক-ঝিনুক দিয়ে বিশেষ সংকেত তৈরির মাধ্যমে ট্রাম্পকে ওই হুমকি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। গতকাল সংক্ষিপ্ত শুনানির পর বিচারক উইলিয়াম ফিটজপ্যাট্রিক কোনো শর্ত ছাড়াই কোমিকে আদালত ত্যাগের অনুমতি দেন। গত বছরও বিচার বিভাগ কোমির বিরুদ্ধে একটি মামলা করার চেষ্টা করেছিল। তবে সে সময়ও তাঁর জামিনের কোনো শর্ত দেওয়া হয়নি।

ট্রাম্প-কোমি

ট্রাম্পের রাজনৈতিক বিরোধীদের বিরুদ্ধে তদন্ত ও ব্যবস্থা নেওয়ার যে দাবি প্রেসিডেন্ট দীর্ঘদিন ধরে করে আসছিলেন, এ মামলাটিকে তারই অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। ট্রাম্প মনে করেন, বিচারব্যবস্থাকে তাঁর বিরুদ্ধে ব্যবহারের ক্ষেত্রে কোমি অন্যতম প্রধান ব্যক্তি।

৮৬ ৪৭

এই মামলার মূল বিষয় হল গত বছরের মে মাসে সোশ্যাল মিডিয়ায় কোমির পোস্ট করা একটি ছবি। ছবিতে দেখা যায়, সৈকতের বালিতে শামুক ও ঝিনুক দিয়ে ‘৮৬ ৪৭’ সংখ্যা দুটি লেখা। ছবির ক্যাপশনে তিনি লিখেছিলেন, ‘সৈকতে হাঁটার সময় চমৎকার ঝিনুকের বিন্যাস দেখলাম।’

প্রেসিডেন্টকে হত্যার হুমকি

এ পোস্টের পরপরই রিপাবলিকান দল ও ট্রাম্প প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দাবি, এটি প্রেসিডেন্টকে হত্যার হুমকির শামিল। কেননা, ইংরেজি স্ল্যাংয়ে ‘৮৬’ বলতে কোনো কিছু থেকে মুক্তি পাওয়া বা কোনও কিছুকে ছুড়ে ফেলা বোঝানো হয়। আর ট্রাম্প হলেন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট। সুতরাং, তাঁরা দুইয়ে দুইয়ে চার করে ফেললেন! জুড়ে দিলেন ‘৮৬’ ও ‘৪৭’-কে।

বিশেষজ্ঞরা কী বলছেন?

এই অভিযোগকে অবশ্য ভিত্তিহীন মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের হুভার ইনস্টিটিউশনের বরিষ্ঠ ফেলো ইউজিন ভালোখ সিএনএনকে বলেন, এসবের কোনো ভিত্তি নেই। এটি শাস্তিযোগ্য কোনো হুমকি নয়!

(Feed Source: zeenews.com)