সভায় উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের জেনারেল ম্যানেজার শ্রী চেতন কুমার শ্রীবাস্তব এবং জেনারেল ম্যানেজার (নির্মাণ) শ্রী আশীষ বনসল-এর পাশাপাশি উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের অন্যান্য বরিষ্ঠ আধিকারিকরাও অংশ গ্রহণ করেন। উত্তর-পূর্বাঞ্চলে রেল যোগাযোগ মজবুত করার লক্ষ্যে মূল পরিকাঠামো পদক্ষেসমূহ, প্রকল্পের সময়সীমা এবং বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করার কৌশল নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
তাঁর সফরের অংশ হিসেবে, শ্রী গুপ্তা ২ মে, ২০২৬ তারিখে কামাখ্যা থেকে ডিমাপুর পর্যন্ত একটি বিস্তারিত ‘উইন্ডো ট্রেইলিং’ পরিদর্শন করবেন, যাতে এই রুটের রেললাইনের অবস্থা, সুরক্ষা ব্যবস্থা ও পরিকাঠামো পর্যালোচনা করা যায়। ডিমাপুর পৌঁছানোর পর, তিনি ডিমাপুর–কোহিমা নতুন রেললাইন প্রকল্পের অগ্রগতি, এবং রাজ্যে চলমান অন্যান্য পরিকাঠামোমূলক কাজের—পর্যালোচনা করার কার্যসূচী নির্ধারণ করা হয়েছে। এই সফরটি উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সংযোগ বৃদ্ধি এবং বিকাশমূলক কাজের গতি ত্বরান্বিত করার ক্ষেত্রে ভারতীয় রেলওয়ের ধারাবাহিক গুরুত্বারোপকেই তুলে ধরে।
বৈঠকের সময়, এই অঞ্চলের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিকাঠামো প্রকল্পের পরিচালনাগত অবস্থা ও অগ্রগতি বিস্তারিতভাবে পর্যালোচনা করা হয়। জিরিবাম–ইম্ফল, সিভোক–রংপো এবং মুরকংসেলেক–পাসিঘাট-সহ বিভিন্ন বৃহৎ প্রকল্পের বাস্তবায়ন ত্বরান্বিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করা হয়।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে রেলওয়ে পরিকাঠামো নির্মাণ কাজে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে। মিজোরামের রাজধানীকে প্রথমবার রেল নেটওয়ার্কের মাধ্যমে দেশের বাকি অংশের সঙ্গে সংযুক্ত করে একটি বিশাল মাইলফলক অর্জন করা হয়েছে। ভৈরবী–সাইরাং রেলওয়ে প্রকল্প, যা গত বছরের সেপ্টেম্বর মাসে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী দ্বারা উদ্বোধন করা হয়েছিল, এই অগ্রগতির ক্ষেত্রে একটি অন্যতম প্রধান অর্জন হিসেবে দাঁড়িয়েছে।
পণ্য পরিবহন পরিষেবার জন্য মোলভম ও মেন্দীপথার স্টেশনের পরিচালন, উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ের চলমান অগ্রগতির ক্ষেত্রে একটি উল্লেখযোগ্য অর্জন, এটি আঞ্চলিক লজিস্টিক ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করছে, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি ঘটাচ্ছে এবং অর্থনৈতিক বিকাশে অবদান রাখছে।উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলওয়ে, উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অর্থনৈতিক বিকাশকে ত্বরান্বিত করতে এবং পরিবহন ব্যবস্থার উন্নতি সাধন করতে রেল সংযোগ ও পরিকাঠামো শক্তিশালী করার বিষয়ে অঙ্গীকারবদ্ধ।