
AC : এসি ঘরে জলের পাত্র রাখলে প্রাকৃতিক হিউমিডিফায়ারের মতো কাজ করে, বাতাসে আর্দ্রতা বাড়ায়, শুষ্কতা কমায় এবং আরাম বাড়ায়। এতে শরীরে ভাল হয়।
মে মাসের প্রবল গরমে হাসফাঁস করছে মানুষ। এমন সময় বাড়ির এয়ার কন্ডিশনার অনেক মানুষের জন্য রোজকার জীবনের গুরুত্বপূর্ণ জিনিস হয়ে উঠছে। সম্প্রতি কিছু মানুষের ঘরে একটি নতুন প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। এয়ার কন্ডিশনার যে ঘরে আছে সেখানে একটি জলের বালতি রেখে দিচ্ছেন। যদিও এটি প্রথমে অদ্ভুত মনে হতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সহজ ডিআইওয়াই “হ্যাক” বহুপ্রচলিত। আগেও অনেকে এমনটা করতেন।
এয়ার কন্ডিশনার (এসি) মূলত বাতাস থেকে তাপ এবং আর্দ্রতা সরিয়ে কাজ করে। ফলে এটি ঘরের ভেতরের বাতাসকে অনেকটাই শুষ্ক করে ফেলে। এর ফলে এয়ার কন্ডিশনার ব্যবহার করলে অত্যন্ত শুষ্ক বাতাস তৈরি হতে পারে। আর তাতে শরীরে একাধিক সমস্যা হতে পারে।
বাতাস খুব শুষ্ক হলে ত্বকে সমস্যা হতে পারে। চোখ জ্বালা করতে পারে। এমনকী শ্বাস-প্রশ্বাসেও সমস্যা হতে পারে। জলভর্তি বালতি একটি প্রাকৃতিক হিউমিডিফায়ারের মতো কাজ করে। বাতাস যখন বালতির ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়, তখন জলের বাষ্পীভবনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে আর্দ্রতা ঘরের বাতাসে মিশে যায়। ফলে ঘরের বাতাসের আর্দ্রতার ভারসাম্য বজায় রাখতে সাহায্য করে।
বালতি এমন কোণায় রাখুন যেখানে এসির বাতাস সবচেয়ে বেশি প্রবাহিত হয়। এতে বাষ্পীভবনের প্রক্রিয়া দ্রুত হবে। শর্ট সার্কিটের ঝুঁকি এড়াতে বালতি ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি, পাওয়ার স্ট্রিপ এবং তারের কাছ থেকে দূরে রাখুন। এমন জায়গায় রাখুন যেখানে হোঁচট খাওয়ার সম্ভাবনা কম। বালতি কখনো ঢেকে রাখবেন না। সবসময় পরিষ্কার জল ব্যবহার করুন এবং প্রতিদিন পরিবর্তন করুন।
অনেকেই দীর্ঘ সময় এসি-তে থাকেন। এই অভ্যেস কিন্তু একেবারেই ভাল নয়। এর ফলে শরীরে নানারকম সমস্যা হতে পারে। এমনকী খুব গরম থেকে ফিরে এসি ঘরে ঢুকে পড়াটাও মোটেই ভাল অভ্যেস নয়। আগে কিছুটা সময় ফ্য়ানের নিচে দাঁড়িয়ে তার পর এসি ঘরে ঢোকা যেতে পারে।
(Feed Source: news18.com)
