
কনকনে ঠাণ্ডায় ছাদে নাচ! কী অভিজ্ঞতা হয়েছিল শ্যামৌপ্তির?
এবিপি লাইভ বাংলাকে শ্যামৌপ্তি বলছেন, ‘ছাদে আমার একটা নাচের দৃশ্য ছিল। যখন এই দৃশ্যটার শ্যুটিং হয়, তখনও ভাল করে ভোরের আলো ফোটেনি। সবাই তৈরি হয়ে চলে গিয়েছি। দাদাও (শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়) অপেক্ষা করছিলেন। ওই ঠাণ্ডায় ছাদের মধ্যে নাচ প্র্যাকটিস করতে গিয়ে মনে হয়েছিল, পা জমে যাচ্ছে। ছাদের মধ্যে অতক্ষণ নাচ করতে গিয়ে, পা কেটে গিয়ে রক্ত বেরিয়ে গিয়েছিল আমার। কিন্তু কোনো কিছুকেই আমার কষ্ট বলে মনে হয়নি। শট শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে, দাদা ডেকে নিচ্ছিলেন। গরম চা খাওয়াচ্ছিলেন, পায়ে ওষুধ স্প্রে করে দিচ্ছিলেন। আমার সঙ্গে এত লোক রয়েছে.. কেউ চাদর এগিয়ে দিচ্ছেন, কেউ জুতো এনে দিচ্ছেন। যত্ন করার জন্য এতগুলো মানুষ আমার সঙ্গে। যত যত্নে থাকলে সত্যিই কোনোও কষ্ট বলে মনে হয় না। শটটা দেখার পরে দাদা আর দিদির (নন্দিতা রায়) মুখের যা অভিব্যক্তি ছিল, সেটা ভোলার নয়। আমি বিশ্বাস করি, প্রশংসা সবাই করতে পারেন না। কাজের প্রশংসা পেলে, যে কোনও অভিনেতার কাজ করার ইচ্ছেটা বেড়ে যায়। সেটা প্রত্যেকটা মুহূর্তে ‘ফুলপিসি আর এডওয়ার্ড’-এর কাজটা করতে গিয়ে অনুভব করেছি। ভাল শটে প্রশংসা পেয়ে, পরের শটটা আরও ভাল করে দিয়েছি।’
(Feed Source: abplive.com)
