
২১৪-র বড় রান তাড়া করতে নেমে আরসিবির শুরুটা ভাল হওয়ার প্রয়োজন ছিল। তবে শুরুতেই লখনউয়ের বোলাররা নতুন বলে দুই আরসিবি ওপেনারকে ফেরান। শামির বলে চার রানে আউট হন বেথেল, আর প্রিন্স খাতা খোলার আগেই ফেরান বিরাট কোহলিকে। এরপরে অবশ্য রজত পাতিদার ও দেবদত্ত পাড়িক্কাল আরসিবির ইনিংস সামলান। দুইজনে মিলে দলকে শতরানের গণ্ডিও পার করান। তবে তারপরেই ফের উইকেটের ধস নামে। একই ওভারে প্রিন্সের বলে ৩৪ রানের ফেরেন দেবদত্ত ও এক রানে আউট হন জীতেশ শর্মা। ঠিক পরের ওভারেই ৬১ রানে শাহবাজ রজতকে সাজঘরে ফেরান।
এমন পরিস্থিতিতেও ইমপ্যাক্ট সাব হিসাবে নেমে টিম ডেভিড লড়াইয়ের চেষ্টা করেছিলেন। তিনি ৪০ রানে আউট হওয়ার পরেও, ক্রুণাল পাণ্ড্য একটি লড়াকু ইনিংস খেলছিলেন। রোমারিও শেফার্ডও নেমে ব্যাট চালান। খোড়াতে খোড়াতেও জয়ের আশা বজায় রাখে আরসিবির। লখনউয়ের রক্তচার বাড়ে। শেষ ওভারে আরসিবির জয়ের জন্য ২০ রানের প্রয়োজন ছিল। অনেক আলাপ আলোচনা করে তারপরে দ্বিগেশ রাঠিকে বল দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তাঁর লেগ স্পিনে রাঠি মাত্র ১০ রানই খরচ করেন এবং অবশেষে জয় পায় লখনউ।
এর আগে প্রথম ইনিংসে বৃষ্টির জেরে বারংবার ব্যাহত হল ম্যাচ। তাও ওপেনিংয়ে মিচেল মার্শের (Mitchell Marsh) দুরন্ত ব্যাটিং এবং শেষের দিকে ঋষভ পন্থ ও নিকোলাস পুরানের বিধ্বংসী ইনিংসে ১৯ ওভারে মাত্র তিন উইকেটের বিনিময়ে ২০৯ রান তুলল লখনউ সুপার জায়ান্টস। ডাকওয়ার্থ লুইস নিয়মে রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুকে জয়ের জন্য ২১৩ রান তুলতে হবে। এদিন লখনউয়ের হয়ে মার্শ সর্বাধিক ১১১ রানের ইনিংস খেলেন। পন্থ ১০ বলে অপরাজিত ৩২ রানের ইনিংস খেলেন। ৩৮ রানের ইনিংস খেলেন পুরান।
শেষমেশ এই ইনিংস এবং প্রিন্সের বোলিংয়েই জয় ছিনিয়ে নেয় লখনউ। তবে ম্যাচ জিতেও লিগ তালিকায় সবার নীচেই রইল লখনউ, আর তিনেই রয়েছে আরসিবি।
(Feed Source: abplive.com)
