
১০ মে অর্থাৎ রবিবার দুপুরে জিৎ সামাজিক মাধ্যমে একটি দীর্ঘ পোস্ট করে জানান, ‘মোদির গ্যারান্টি’র উপর তাঁর অটুট আস্থা রয়েছে। এই প্রসঙ্গে ফেসবুকে জিৎ লেখেন
অ্যাকশন–রোম্যান্স–কমেডির মিশেলে এক সময় দর্শকদের হৃদয় জয় করেছিলেন জিতেন্দ্র মদনানি, অর্থাৎ জিৎ। পরে বাংলা সিনেমায় দীপক অধিকারী (দেব)-এর আগমন আরও জমিয়ে তোলে দেব বনাম জিৎ-এর তারকাদ্বৈরথ। বাংলার দুই সুপারস্টারকে ঘিরে তৈরি হয়েছিল বিপুল অনুরাগী মহল। কিন্তু পরিচিত বা অজ্ঞাত কোনও কারণে বহু বছর ধরেই যেন নিজেকে আড়ালেই রেখেছিলেন জিৎ—এক রকমের ‘স্বেচ্ছা অজ্ঞাতবাস’-এ!
দেব, ঘাটালের প্রাক্তন বিধায়ক হিসেবে, ক্ষমতায় থাকা তৃণমূল কংগ্রেসের খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন। অন্যদিকে, জিৎ কখনও প্রকাশ্যে নিজের রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে কিছু বলেননি। পালাবদলের পরে অবশ্য ৪ মে জিৎ লিখেছিলেন—“বাংলায় ইতিহাস রচিত হচ্ছে। ঐতিহাসিক জয়ের জন্য বিজেপিকে অভিনন্দন। এই বিজয় যেন অগ্রগতি ও উন্নয়নের নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে।” কিন্তু, রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে সেই সময়েও একটা বাড়তি কথা খরচ করেননি অভিনেতা।
১০ মে অর্থাৎ রবিবার দুপুরে জিৎ সামাজিক মাধ্যমে একটি দীর্ঘ পোস্ট করে জানান, ‘মোদির গ্যারান্টি’র উপর তাঁর অটুট আস্থা রয়েছে। এই প্রসঙ্গে ফেসবুকে জিৎ লেখেন,“এই জয় বিজেপির জন্য শুধু এক রাজনৈতিক সাফল্য নয়, মানুষের প্রতি এক বড় অঙ্গীকার। পশ্চিমবঙ্গ এমন এক ভূমি, যা সম্পদ, প্রতিভা, সংস্কৃতি এবং অসংখ্য মানুষের অবদানে সমৃদ্ধ। এই মাটির মানুষ তাঁদের মেধা, পরিশ্রম ও আত্মত্যাগের মাধ্যমে দেশকে অনেক কিছু দিয়েছেন।কিন্তু দীর্ঘ সময় ধরে বাংলার গৌরব, আত্মমর্যাদা, সংস্কৃতি ও শিক্ষার ঐতিহ্যকে যেভাবে দেশের সামনে এবং বিশ্বের সামনে ছোট করে দেখানো হয়েছে—তা অত্যন্ত বেদনাদায়ক।
আজ আমি আশাবাদী—ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার বাংলার জন্য এক নতুন সকাল নিয়ে আসবে, নতুন আলোর দিশা দেখাবে। আমাদের প্রধানমন্ত্রী শ্রী নরেন্দ্র মোদীজি যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন—“মোদীর গ্যারান্টি”—তার ওপর আজ কোটি কোটি মানুষের বিশ্বাস ও প্রত্যাশা টিকে আছে।আমি চাই, পশ্চিমবঙ্গ—আমাদের প্রিয় বাংলা—আবারও ‘সোনার বাংলা’ হয়ে উঠুক, ফিরে পাক তার হারিয়ে যাওয়া গৌরব। এটাই আমার আশা।জয় হিন্দ!”
(Feed Source: news18.com)
