)
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: ইরান-ইসরায়েল-আমেরিকার যুদ্ধ এখনও থামেনি। এর প্রভাব পড়েছে আমাদের দেশেও। মধ্যপ্রাচ্য থেকে তেল, গ্যাসের সরবারহ কমেছে। ফলে বিপাকে পড়েছে আম জনতা। এনিয়ে এবার দেশবাসীকে সতর্ক করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
আম জনতার একটা আশঙ্কা ছিল যে ভোট মিটলেই বিভিন্ন খুচরো পণ্যের দাম বাড়তে পারে। কারণ তেলের সংকট। বিভিন্ন নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম ইতিমধ্যেই বেড়ে গিয়েছে। ক্রুড ওয়েলের দাম অনেকটা বেড়েছে, প্যাকেজিংয়ের খরচ বেড়েছে, জ্বালানির সাপ্লাই চেইন নষ্ট হয়েছে, মুদ্রাস্ফীতি-এই সব মিলিয়ে বাজারের কঠিন অবস্থা তৈরি হয়েছে। এসবের জেরে জিনিসপত্রের অন্তত ৩ থেকে ৫ শতাংশ দাম বাড়ছে বলে জানা যাচ্ছে।
শনিবার তেলঙ্গানায় এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী আজ দেশবাসীর উদ্দেশে বলেন, পেট্রোল, ডিজেল, রান্নার গ্যাসের খরচের ব্যাপারের সাধারণ মানুষকে সংযমী হতে হবে। পশ্চিম এসিয়ায় যুদ্ধের ফলে যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে তাতে তেলের উপরে আমাদের নির্ভরতা কমাতে হবে।
হায়দরাবাদে আজ তেলঙ্গানার জন্য ৯,৪০০ কোটি টাকার প্রকল্পের শিলান্যাস করছেন মোদী। সেই অনুষ্ঠানেই তিনি বলেন, পেট্রোলের বাস্তব সম্মত ব্যবহার এখন ভারতের বাস্তবিক দাবি। বর্তমান এই পরিস্থিতিতে পেট্রোল, ডিজেল, গ্যাসের ব্য়বহারে আমাদের লাগাম টানতে হবে। আমদানি করা পেট্রোল জাতীয় পণ্যের ব্যবহার আমাদের পরিস্থিতি বুঝে করতে হবে। এতে আমাদের বিদেশি মুদ্রাই শুধু বাঁচবে না যুদ্ধের প্রভাবও আমরা অনেকটাই এড়িয়ে যেতে পারব।
এনার্জি সিকিউরিটির প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, গোটা বিশ্বের মানুষ এখন এনার্জি সিকিউরিটির উপরে নজর দিচ্ছে। তাই কেন্দ্র এই ক্ষেত্রে বিপুল টাকা বিনিয়োগ করে রেখেছে। সোলার এনার্জি ব্যবহারের ক্ষেত্রে ভারত এখন দুনিয়ার শীর্ষে।
দেশের মানুষের কাছে এলপিজি সিলিন্ডার পৌঁছে দেওয়ার কথা টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রান্নার গ্যাস সিলিন্ডার পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে দেশ বিশাল সাফল্য পেয়েছে। এবার সরকারের লক্ষ্য পাইপ লাইনের মাধ্যমে গ্যাস পৌঁছানো। সরকারের লক্ষ্য এখন সিএনসি চালিত গাড়ি চালানো। এতে গোটা দুনিয়ায় যে জ্বালানি সংকট চলছে তার থেকে ভারত স্বস্তি পাবে।
(Feed Source: zeenews.com)
