PBKS vs DC: যে দল মরশুমের শুরুতে টানা জয়ের রেকর্ড গড়েছিল, সেই পঞ্জাব কিংস লিগ পর্বের শেষের দিকে এসে টানা ৪ ম্যাচে হারের স্বাদ পেল।
দিল্লি ক্যাপিটালস
যে দল মরশুমের শুরুতে টানা জয়ের রেকর্ড গড়েছিল, সেই পঞ্জাব কিংস লিগ পর্বের শেষের দিকে এসে টানা ৪ ম্যাচে হারের স্বাদ পেল। দিল্লি ক্যাপিটালসের বিরুদ্ধে হাই স্কোরিং ম্যাচে বোলিং বিভাগের ব্যর্থতার জেরে হারতে হল শ্রেয়স আইয়রের দলকে। ২১০ রান করেও তা ডিফেন্ড করতে পারল না পঞ্জাব বোলাররা। এক ওভার বাকি থাকতেই জয়ের লক্ষ্যে পৌছে যায় দিল্লি ক্যাপিটালস।
ধরমশালায় ম্যাচে টস জিতে ফিল্ডিং করার সিদ্ধান্ত নেয় দিল্লি ক্যাপিটালস। ওপনি বিধ্বংসী ব্যাটিং করে প্রিয়াংশ আর্য ও প্রভসিমরন সিং ৭৮ রানের পার্টনারশিপ করেন। প্রভসিমরন ১৮ রান করে আউট হলেও মারকাটারি হাফ সেঞ্চুরি করেন প্রিয়াংশ। ৩৩ বলে ৫৬ করেন তিনি। এরপর অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ারের ৩৬ বলে ৫৯ ও কুপার কোনোলির ২৭ বলে ৩৮ রান এবং সুর্যাংশ শেজের ৮ বলে ২১ রানের ইনিংসের সুবাদে ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ২১০ করে পঞ্জাব।
রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভাল হয়নি দিল্লি ক্যাপিটালসের। ৩৩ রানের মধ্যে ৩ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল দিল্লি। সেখান থেকে অক্ষর প্যাটেলের ৩০ বলে ৫৬ রানের অধিনায়কোচিত ইনিংস খেলেন। ২৮ বলে ৫১ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন ডেভিড মিলার। এই দুই ইনিংসে ভর করে ম্যাচে ফেরে দিল্লি। শেষের দিকে আশুতোষ শর্মার ১০ বলে ২৪, মাধব তিওয়ারির ৮ বলে ১৮ রানের ইনিংস দিল্লির জয় নিশ্চিত করে। ১৯ ওভারে ২ বলে ছক্কা ও চার মেরে ম্যাচ শেষ করেন কিব নবি।
এই হারের ফলে লিগ টেবিলের চতুর্থ স্থানে নেমে গেল পঞ্জাব কিংস। ১১ ম্যাচে ১৩ পয়েন্ট শ্রেয়স আইয়ারের দলের। ১১ ম্যাচে ১৪ করে পয়েন্ট নিয়ে রানরেটের নিরিখে প্রথম তিনে রয়েছে আরসিবি, হায়দরাবাদ ও গুজরাত। ১১ ম্যাচে ১২ করে পয়েন্ট নিয়ে রানরেটে পঞ্চম সিএসকে ও ষষ্ঠ রাজস্থান। ১২ ম্যাচে ১০ পয়েন্ট নিয়ে সপ্তম দিল্লি ও ১০ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে অষ্টম কেকেআর। মুম্বই ও লখনউয়ের ৩টি করে ম্যাচ বাকি থাকলেও তারা ছিটকে গিয়েছে।
(Feed Source: news18.com)