
এদিন অল্প রানের পুঁজি নিয়ে মাঠে নেমে শুরু থেকেই নতুন বলে আগুন ঝরান টাইটান্সের বোলাররা। প্রথম ওভারেই সানরাইজার্সের বিধ্বংসী ওপেনার ট্র্যাভিস হেডকে খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফেরান মহম্মদ সিরাজ। পরের ওভারেই কাগিসো রাবাডা সাজঘরে ফেরত পাঠান অপর ওপেনার অভিষেক শর্মাকে। তাঁর সংগ্রহ ছয়। এরপরে পাওয়ার প্লের মধ্যেই ঈশান কিষাণ ও আর স্মরণকেও সাজঘরের রাস্তা দেখান রাবাডা। দুই বাঁ-হাতি ব্যাটারের সংগ্রহ যথাক্রমে ১১ ও নয় রান। টাইটান্সরা যেখানে পাওয়ার প্লেতে ৩৪ রানে দুই উইকেট হারিয়েছিল, সেখানে সানরাইজার্সরা একই রানে চার উইকেট হারায়।
তবে রাবাডাদের নতুন বলের আগ্রাসী স্পেলে ব্যাকফুটে চলে গেলেও সানরাইজার্স সমর্থকরা তখনও আশা হারাননি, কারণ তখন ক্রিজে উপস্থিত ছিলেন হেনরিখ ক্লাসেন। চলতি মরশুমে ধারাবাহিকভাবে ক্লাসেন রান করে গিয়েছেন, দলের হয়ে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছেন। ‘অরেঞ্জ আর্মি’ আশা করছিল, এদিনও তেমন কিছুই হবে। তবে তা আর হল কই। শুরুতে যেখানে রাবাডা বল হাতে আগুন ঝরান, মিডল ওভারে সেখানে জেসন হোল্ডার টাইটান্সদের কফিনে পেরেক পোঁতেন। তিনি ক্লাসেনকে ১৪, নীতীশ কুমার রেড্ডিকে দুই এবং শিবাঙ্গ কুমারকে চার রানে আউট করেন। কামিন্স খানিকটা ব্যাট চালিয়ে দলের পরিস্থিতি শুধরানোর চেষ্টা করলেও, তাতে লাভের লাভ কিছুই হয়নি। ৮৬ রানেই অল আউট হয়ে যায় সানরাইজার্স। নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে সানরাইজার্সের প্রথম জয়ের স্বপ্ন অধরাই রয়ে গেল।
অপরদিকে, এই জয়ের সুবাদে লিগ তালিকার শীর্ষে পৌঁছে গেল টাইটান্স। প্লে-অফের দোরগোড়ায় টাইটান্সরা। প্রথম সাত ম্যাচে মাত্র তিনটি জিতলেও, নাগাড়ে পাঁচ ম্যাচ জিতে টাইটান্সরা আপাতত প্লে-অফের দৌড়ে দারুণ জায়গায়।
(Feed Source: abplive.com)
