
টালিগঞ্জে শিল্প এবং সংস্কৃতির পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে বদ্ধ পরিকর রাজ্য সরকার। এর আগে একাধিক নেতার বিরুদ্ধে টলিউডের কাজে হস্তক্ষেপের অভিযোগ উঠেছে। এর জেরে বহু শিল্পি এবং কলাকুশলীরা বিক্ষুব্ধ ছিলেন, এদের নিয়ে একসঙ্গে কাজ করতে মরিয়া বর্তমান সরকার।
কলকাতা: টলিউডের শিল্পীদের জন্য নতুন উদ্যোগ নিল আর্টিস্ট ফোরাম। বুধবার আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হল ‘উত্তম সুবিধা কার্ড’। এই বিশেষ কার্ডের মাধ্যমে আটিং ফোরামের কার্ড হোল্ডার শিল্পীরা এবার থেকে এক বেসরকারি ফার্মেসি কোম্পানির (ফ্র্যাঙ্ক রস) বিভিন্ন শাখা থেকে একাধিক বিশেষ সুযোগ-সুবিধা পাবেন বলে জানানো হয়েছে। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় ও আবির চট্টোপাধ্যায় সহ একাধিক শিল্পীর উপস্থিতিতে ‘উত্তম সুবিধা কার্ড’ এর সুবিধার কথা ঘোষণা করা হল। সংশ্লিষ্ট ওষুধ কোম্পানির যেকোনও আউটলেটে ওষুধের ওপর ২০ % ছাড় পাবে অভিনেতারা। জানা গিয়েছে, ধাপে ধাপে আর্টিস্ট ফোরামের সমস্ত সদস্যদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে ‘উত্তম সুবিধা কার্ড’।
প্রসঙ্গত, টলিউডের অস্থিরতা নিয়েও আলোচনা করা হয় নবান্নে। সেই বৈঠকে টলি পাড়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে চার বিধায়ককে। টালিগঞ্জের স্টুডিও পাড়ার দায়িত্ব পেলেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, পাপিয়া অধিকারী, হিরণ চট্টোপাধ্যায় ও রুদ্রনীল ঘোষ।
নবান্নে বিভিন্ন দফতরের সচিবদের সঙ্গে বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বেশ কয়েকজন বিধায়ককেও এই গুরুত্বপূর্ণ রিভিউ মিটিংয়ে ডেকেছিলেন। যাদের মধ্যে ছিলেন রূপা গাঙ্গুলি, রুদ্রনীল ঘোষ, ইন্দ্রনীল খাঁ, স্বপন দাশগুপ্ত, হিরন চট্টোপাধ্যায়দের। মূলত শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং স্বাস্থ্য এই তিনটি দফতর নিয়ে আলোচনা হয়। টালিগঞ্জ ইন্ডাস্ট্রি নিয়েও কথা হয়। টলিউডের বিভিন্ন ইউনিয়ন নিয়ে কলাকুশলীদের বিভিন্ন বক্তব্যও ছিল সেই নিয়েও মুখ্যমন্ত্রীর সামনে আলোচনা করা হয়।
সেখানে যারা পদ আঁকড়ে বসে আছে তাদের নিয়ে কী ভাবে ব্যবস্থা নেওয়া যায়, কী ভাবে দুর্নীতি মুক্ত করা যায়, সেই নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আগামী দিনে এই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ দফতরে কী ভাবে কাজ হবে তা রিপোর্ট আকারে জমা দিতে বলা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এদিন তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের সচিবকে উদ্দেশ্য করে বলেন, “টালিগঞ্জের সমস্যা মেটাতে হবে। সবার সঙ্গে কথা বলে সমস্যা মিটিয়ে নিতে হবে”।
