
বাঙালি মানেই মৎস্যপ্রেমি। ভাত-মাছ পেলে বাঙালির আর কিছু চাই না! মাছের উপকারিতা বলে শেষ করা যায় না! মাছ প্রোটিনের উৎস। এতে থাকে প্রচুর সিলেনিয়াম, যা দেহে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট হিসেবে কাজ করে। সামুদ্রিক মাছ নার্ভের রোগ হওয়ার ঝুঁকি কমে। মাছ ব্রেন ভাল রাখতেও এক্সপার্ট! এই ৫ মাছ ব্রেনকে বানায় কম্পিউটারের মতো তেজি–
স্যামন মাছ– ব্রেনের জন্য তুখড় রি সামুদ্রিক মাছ। এতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, বিশেষ করে ডিএইচএ (DHA) এবং ইপিএ (EPA)। এই ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে এবং মস্তিষ্কের কোষকে শক্তিশালী রাখে।ওমেগা-৩ ফ্যাট মস্তিষ্কের কোষগুলোর মধ্যে যোগাযোগ উন্নত করে, ফলে স্মৃতিশক্তি ও শেখার ক্ষমতা বাড়ে। ডিএইচএ হলো মস্তিষ্কের টিস্যুতে থাকা একটি প্রধান ফ্যাট, যা মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।স্যালমন মাছ থেকে প্রোটিন, ভিটামিন ডি এবং সেলেনিয়ামও পাওয়া যায়। সেলেনিয়াম একটি খনিজ উপাদান, যা অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট হিসেবে কাজ করে এবং শরীরের কোষকে ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে।কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, যেসব বয়স্ক মানুষ নিয়মিত মাছ খান, তাঁদের স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার গতি তুলনামূলকভাবে কম।
টুনা মাছ– সাধ্যের মধ্যে ব্রেনকে কম্পিুটারের মতো তেজ বানাতে পাতে রাখুন টুনা মাছ। এতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল ভাল রাখে,স্মৃতিশক্তি ও শেখার ক্ষমতা বাড়ায়।টুনা মাছ ভিটামিন বি১২-এর ভাল উৎস। এই ভিটামিন স্নায়ুর কোষ সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। ৩.৫ আউন্স টুনা খেলে শরীরের দৈনিক প্রয়োজনের ১০০ শতাংশেরও বেশি ভিটামিন বি১২ পাওয়া যায়।ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি হলে স্মৃতিশক্তির সমস্যা এবং চিন্তাভাবনার ক্ষমতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
ট্রাউট–এই মাছে ডিএইচএ (DHA) এবং ইপিএ (EPA)-সহ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা মস্তিষ্ক ও শরীরের জন্য উপকারী।এছাড়াও, এই মাছ ভিটামিন ডি-এর অন্যতম ভাল উৎস। ৩ আউন্স ট্রাউট মাছ থেকে প্রায় ৬৪৫ ইন্টারন্যাশনাল ইউনিট (IU) ভিটামিন ডি পাওয়া যায়, যা দৈনিক চাহিদার প্রায় ৮১ শতাংশ পূরণ করে।
হেরিং– এটি তেলযুক্ত মাছ, যাতে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। এই মাছ ভিটামিন বি১২ এবং সেলেনিয়ামেরও ভাল উৎস, যা মস্তিষ্ক সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
সার্ডিন মাছ– এই মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের পাশাপাশি ভিটামিন বি১২ এবং ভিটামিন ডি থাকে। এছাড়াও সার্ডিনে ক্যালসিয়াম, সেলেনিয়াম, জিঙ্ক এবং ভিটামিন ই থাকে।গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বয়স্কদের শরীরে ভিটামিন ই-এর ঘাটতি থাকলে ডিমেনশিয়ার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
(Feed Source: news18.com)
