এই ঘটনা সামনে আসার পরই ভগীরথের বিরুদ্ধে হায়দ্রাবাদ সহ তেলঙ্গানার বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভ শুরু হয়৷ তেলঙ্গনা হাইকোর্টও মন্ত্রী পুত্রকে স্বস্তি দিয়ে অন্তর্বর্তী কোনও নির্দেশ দিতে রাজি হয়নি৷
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বান্দি সঞ্জয় (মাঝখানে)৷ ছবি- পিটিআই
পকসো মামলায় অভিযুক্ত নিজের ছেলেকে পুলিশের হাতে তুলে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বান্দি সঞ্জয় কুমার৷ ১৭ বছর বয়সি এক নাবালিকার যৌন হেনস্থায় অভিযুক্ত ছিলেন মন্ত্রীর ছেলে বান্দি সাই ভগীরথ৷ তাঁকেই হায়দ্রাবাদ পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী৷
লিখিত বিবৃতিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জানিয়েছেন, ‘সত্যমেব জয়তে! অভিযোগ উঠেছিল তা মাথায় রেখে এবং আইনের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধার কারণেই আমরা আমাদের ছেলেকে আইনজীবীদের মাধ্যমে তদন্তের জন্য পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি৷’
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও লিখেছেন, ‘আমার ছেলে হোক অথবা অন্য কোনও সাধারণ নাগরিক, আইনের চোখে সবাই সমান৷ প্রত্যেকেরই আইন মেনে চলা উচিত৷ আমাদের ছেলে বার বারই দাবি করেছে সে কোনও অন্যায় করেনি৷ যখনই অভিযোগ দায়ের হয়েছিল, তার পরেই আমরা ভেবেছিলাম ছেলেকে পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করতে বলব৷’
সঞ্জয় বান্দি দাবি করেছেন, প্রথমে তাঁর আইনজীবীরা ভেবেছিলেন এই মামলা হয়তো আদালতে খারিজ হয়ে যাবে এবং তাঁর ছেলে জামিন পেয়ে যাবেন৷ সেই কারণেই তাঁর ছেলের আত্মসমর্পণে দেরি হয়েছে৷ কিন্তু তা না হওয়ায় বিষয়টি ঝুলিয়ে না রেখে তিনি নিজেই ছেলেকে নিয়ে এসে পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে দাবি করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী৷
অভিযোগকারী মহিলার দাবি, তাঁর মেয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছিলেন মন্ত্রীর ছেলে ভগীরথ৷ সেই ঘনিষ্ঠতার সুযোগ নিয়েই ভগীরথ তাঁর মেয়েকে যৌন হেনস্থা করেন বলে অভিযোগ ওই মহিলার৷ এমন কি, মন্ত্রী পুত্রের বিরুদ্ধে তাঁর মেয়েকে জোর করে মদ্যপান করানোরও অভিযোগ করেছেন ওই মহিলা৷ এই অভিযোগের ভিত্তিতেই মন্ত্রীর ছেলের বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিস জারি করে পুলিশ৷
আবার অভিযুক্ত মন্ত্রী পুত্র ভগীরথের দাবি, পূর্ব পরিচয়ের সুযোগ নিয়ে ওই কিশোরী তাঁকে পারিবারিক একটি অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রণ করে৷ সেখানে পৌঁছলে ওই কিশোরীকে বিয়ে করার জন্য তাঁকে চাপ দেওয়ার পাশাপাশি ৫ কোটি টাকা দাবি করা হয় বলেও পাল্টা অভিযোগ করেছেন ভগীরথ৷
(Feed Source: news18.com)