
Super El Nino: এবার কপালে দুঃখ আছে। ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী ‘সুপার এল নিনো’র আশঙ্কার কথা শোনা যাচ্ছে! ২০২৬ সালের আটলান্টিক হারিকেন মরসুম এবং প্রশান্ত মহাসাগরে এক অত্যন্ত শক্তিশালী ‘সুপার এল নিনো’ তৈরির আশঙ্কা নিয়ে এখন সকলেই পূর্বাভাস দিতে আরম্ভ করেছে।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: বিশ্ব উষ্ণায়ন (Global Warming) বহুদিন ধরেই খুব বড় রকম একটা বিপদ হিসেবে দেখা দিচ্ছে। পরিবেশবিদেরা বলে চলেছেন পৃথিবীর কপালে এবার সত্যিই দুঃখ আছে। কেননা, ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী ‘সুপার এল নিনো’র (Super El Nino) আশঙ্কার কথা শোনা যাচ্ছে! ২০২৬ সালের আটলান্টিক হারিকেন (Atlantic Hurricane) মরসুম এবং প্রশান্ত মহাসাগরে (Pacific Ocean) এক অত্যন্ত শক্তিশালী ‘সুপার এল নিনো’ (Super El Nino) তৈরির আশঙ্কা নিয়ে এখন সকলেই পূর্বাভাস দিতে আরম্ভ করেছে।
ইউরোপীয় পূর্বাভাস
ইতিহাসের অন্যতম শক্তিশালী ‘সুপার এল নিনো’র আশঙ্কা আছে বলে মনে করা হচ্ছে। এটা ঘটবে আটলান্টিক হারিকেন মরসুমে প্রভাবে। ইউরোপীয় আবহাওয়া মডেলগুলির সাম্প্রতিক পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২৬ সালে প্রশান্ত মহাসাগরে একটি ‘সুপার এল নিনো’ তৈরি হতে পারে, যা হবে এ যাবৎকালের রেকর্ড করা অন্যতম শক্তিশালী সমুদ্র-উষ্ণায়ন প্রক্রিয়া। এই পরিস্থিতি বিশ্ব জুড়ে আবহাওয়ার ধরনে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
সুপার এল নিনো
প্রশান্ত মহাসাগরের নিরক্ষীয় অঞ্চলের জলরাশি স্বাভাবিকের চেয়ে অনেক বেশি উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। কম্পিউটার মডেলগুলি মনে করছে যে, এটি একটি ‘সুপার এল নিনো’র রূপ নিতে পারে, যা আটলান্টিক মহাসাগরের ক্রান্তীয় ঝড় এবং হারিকেন তৈরির প্রক্রিয়াকে সরাসরি প্রভাবিত করবে।
আটলান্টিক হারিকেনের প্রভাব
সাধারণত এল নিনো সক্রিয় থাকলে আটলান্টিক মহাসাগরে হারিকেন বা ঘূর্ণিঝড় তৈরির সংখ্যা কমে যায়। এল নিনোর প্রভাবে প্রশান্ত মহাসাগরের উপরে যে গরম বাতাস তৈরি হয়, তা আটলান্টিকের বায়ুমণ্ডলকে শুষ্ক করে দেয় এবং ঝড়ের জন্য প্রয়োজনীয় শক্তি জোগাতে বাধা দেয়।
কলোরাডো-কথা
কলোরাডো স্টেট ইউনিভার্সিটির বিজ্ঞানীদের মতে, এ বছর এল নিনোর দাপটে আটলান্টিক মহাসাগরে ঘূর্ণিঝড় বা হারিকেনের সক্রিয়তা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা কম হতে পারে। তবে জুন মাসের দিকে যখন এল নিনোর সঠিক শক্তি সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যাবে, তখন এই পূর্বাভাস আরও নিখুঁত হবে।
সুপার টাইফুন সিনলাকু
এই মুহূর্তে পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে একটি বিশাল সুপার টাইফুন ‘সিনলাকু’ সক্রিয় রয়েছে। যার শক্তি ক্যাটেগরি ৪ বা ক্যাটেগরি ৫ হারিকেনের সমান। এটি গুয়ামের উত্তরের দ্বীপগুলির দিকে ধেয়ে আসছে।
সতর্কতা
যদিও এল নিনো আটলান্টিকের ঝড় কমাতে সাহায্য করে, তবুও বসন্তকালীন এই পূর্বাভাসগুলি সবসময় ১০০% সঠিক হয় না। তাই সমুদ্র উপকূলবর্তী দেশগুলিকে সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে, কারণ আবহাওয়া পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তিত হতে পারে।
(Feed Source: zeenews.com)
