Chandrababu Naidu Population Incentive: তৃতীয় সন্তানে ৩০০০০, আর চতুর্থে ৪০০০০ ইনসেন্টিভ, বিরাট ঘোষণা চন্দ্রবাবুর

Chandrababu Naidu Population Incentive: তৃতীয় সন্তানে ৩০০০০, আর চতুর্থে ৪০০০০ ইনসেন্টিভ, বিরাট ঘোষণা চন্দ্রবাবুর

Chandrababu Naidu Population Incentive: অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দেশ জন্মহার ক্রমশ কমে যাচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান যে ভুলটা করেছে সেই ভুলটা আর আমাদের করা উচিত নয়

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: দেশের জনসংখ্যা ক্রমশই বেড়ে চলেছে। এমনটাই আমরা শুনে থাকি। এই জনবিস্ফোরণ রুখতে না পারলে বিরাট বিপদ ভারতের সামনে। এমনটাও বলে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। তবে এমন বক্তব্যের একেবারে উল্টো পথেই হাঁটলেন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চন্দ্রবাবু নাইডু।

অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেছেন, যে পরিবারে তৃতীয় সন্তান আসবে সেই দম্পতিকে ৩০,০০০ টাকা ইনসেন্টিভ দেওয়া হবে। অন্যদিকে, কোনও দম্পত্তি চতুর্থ সন্তান নিলে তাঁকে দেওয়া হবে ৪০,০০০ টাকা। মুখ্যমন্ত্রী এহেন ঘোষণায় সমালোচনার সুর চড়িয়েছেন রাজ্যের অন্যান্য দলগুলি। তাদের বক্তব্য, কেন্দ্রের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ আইন কার্যকর না করে কেন উল্টো পথে হাঁটছেন চন্দ্রবাবু।

কী বলেছেন চন্দ্রবাবু? শনিবার শ্রীকাকুলামের নারসান্নাপেটায় এক অনুষ্ঠানে চন্দ্রবাবু নাইডু বলেন, এনিয়ে আমি বহুবার ভেবেছি। একসময় পরিবার পরিকল্পনার জন্য কাজ করেছি। কিন্তু এখন মনে হচ্ছে, সন্তানরাই আমাদের সম্পদ। তাই তাদের জন্য কাজ করতে হবে। নতুন একটি সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তৃতীয় সন্তান জন্মালে সঙ্গে সঙ্গে ৩০ হাজার টাকা দেওয়া হবে। আর চতুর্থ সন্তান জন্মালে দেওয়া হবে ৪০ হাজার টাকা।

অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দেশ জন্মহার ক্রমশ কমে যাচ্ছে। দক্ষিণ কোরিয়া ও জাপান যে ভুলটা করেছে সেই ভুলটা আর আমাদের করা উচিত নয়। মানুষের আয় বাড়ছে আর দেখা যাচ্ছে বহু দম্পত্তি একটি মাত্র সন্তান নিচ্ছেন। আর অন্যরা একটু অন্যরকম জিনিস করছেন। দেখা যাচ্ছে যাদের প্রথম সন্তান কন্যা তারা দ্বিতীয় সন্তান নিচ্ছেন। আমাদের ফার্টিলিটি রেট থাকতে হবে ২.১। এই হার বজায় থাকলেই আমাদের জনসংখ্য়ার ব্যালান্স বজায় থাকবে।

মুখ্যমন্ত্রীর ওই মন্তব্য নিয়ে সুর চড়িয়েছে কংগ্রেস। দলের মুখপাত্র অলোক শর্মা বলেন, গত ১২ বছর ধরে পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে কোনও আলোচনা করেনি কেন্দ্র। এখন লোকসভায় আসন বাড়ানোর কথা শুরু হয়েছে। দক্ষিণ ভারতে ইতিমধ্যেই একটা কথা ছড়াতে শুরু করেছে যে জনসংখ্যা কম হলে দক্ষিণ ভারতের আসন তলানিতে ঠেকে যাবে। এসব না করে পপুলেশন কন্ট্রোল নিয়ে  সরকার নির্দিষ্ট ব্য়বস্থা নিচ্ছে না কেন?

অলোকের দাবি, এসব রাজনৈতিক নাটক ছাড়া কিছুই নয়। অন্ধ্রপ্রদেশে টিডিপি-সরকার নিজেদের ব্যর্থতা সাধারণ মানুষের কাছে লুকোবার জন্যই এসব গিমিক করছে। যে মুখ্যমন্ত্রীএখনও কোনও প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে পারেননি তিনি এখন নতুন প্রতিশ্রুতি দিচ্ছেন।

(Feed Source: zeenews.com)