
শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘একজন ডিসি তার প্রেস কনফারেন্সে যে বাচনভঙ্গি ও ভাষা ব্যবহার করেছিলেন মিডিয়ার সামনেই এটা আমাদের রাজ্যের ক্ষেত্রে খুব একটা সুখকর ছিল না। উনি সরকারিভাবে তো কলকাতা পুলিশের মুখপাত্র ছিলেন না। আমরা তথ্য নিয়েই বলছি। কল রেকর্ড, হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটে বাকিটা বোঝা যাবে। ওঁর বক্তব্যর যে বাচনভঙ্গি ছিল তা নারী সমাজ, মাতৃমণ্ডলী মেনে নিতে পারেনি। অভয়ার ঘটনা গোটা পৃথিবীকে নাড়িয়ে দিয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের মান মর্যাদা, গরিমা সব নষ্ট হয়েছে সেই সময়। তবে আমরা সব বের করব। আরও অনেক সিদ্ধান্ত নেব।’
প্রসঙ্গ আর জি কর ও ইন্দিরা
আর জি কর কাণ্ডে প্রথম থেকেই কলকাতা পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল। অভিযোগ ছিল কলকাতা পুলিশ সেইভাবে গুরত্ব দিতে চায়নি এই ঘটনাকে। দ্বিতীয় অভিযোগ ছিল কলকাতা পুলিশ এই ঘটনাকে ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। সেই সময় এও দেখা যায় কলকাতা পুলিশের তরফে ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ের দায়িত্বে থাকা এলাকার মধ্যেই পড়ে না। তিনি কীভাবে সাংবাদিক সম্মেলন কীভাবে করে তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। প্রশ্ন ওঠে তিনি সেখানে যে তথ্য দেন তার সত্যতা নিয়েও।
এরপর অভয়ার পরিবারের তরফে বিস্ফোরক দাবি করা হয়, পুলিশের তরফে একজন আইপিএস অফিসার গিয়ে মোটা টাকা অফার করে। সেই অভিযোগ জানান হয়।
পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ ও সিদ্ধান্ত
মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিবের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমের রিপোর্ট পেতেই কড়া পদক্ষেপ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। তৎকালীন কলকাতা পুলিশ কমিশনার বিনীত গোয়েল, যে এলাকায় ঘটনায় ঘটেছিল সেই নর্থ ডিভিশনের ডিসি অভিষেক গুপ্ত, এবং ওই এলাকার দায়িত্বে না থাকা সত্ত্বেও ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায়ের সাংবাদিক সম্মেলন করতেন, এঁদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে শুক্রবার।
(Feed Source: abplive.com)
