
Neymar included in Brazils World Cup 2026 squad: তিনি আদৌ কি বিশ্বকাপের দলে সুযোগ পাবেন? এই প্রশ্নই ছিল ফুটবলমহলের বহু সমর্থকের। তবে প্রতীক্ষার অবসান
অ্যানচেলোত্তি কখনই বাদ দেননি নেইমারকে
তিন বছর আগে তিতের জুতোয় পা গলান কার্লো অ্যানচেলোত্তি (Carlo Ancelotti)। ব্রাজিলের নতুন হেডমাস্টার কিন্তু কখনই নেইমারকে ছেঁটে ফেলেননি তাঁর পরিকল্পনা থেকে। তিনি নেইমারের প্রসঙ্গে উঠলে বারবারই বলেছেন যে, নেইমারের বিশ্বকাপ খেলা নির্ভর করছে তাঁর ফিটনেসের উপর। নেইমার ২০২৩ সালের অক্টোবরে শেষবার খেলেছিলেন ব্রজিলের হয়ে। এরপর থেকে অ্যানচেলোত্তির দলে জায়গা ফিরে পেতে ফিটনেস প্রচণ্ড খাটাখাটনি করতে হয়েছে। যদিও অ্যানচেলোত্তি নেইমারের দরজা খুলেই রেখেছিলেন। ৩ বছর পর হলুদ-সবুজ কামব্যাক করলেন এনজে টেন (NJ 10)। দলে ক্যাসেমিরো ও মার্কুইনহোসের মতো অভিজ্ঞ তারকাদের পাশাপাশি বর্নমাউথের রায়ান এবং লুইজ হেনরিকের মতো তরুণ প্রতিভারাও রয়েছেন। আক্রমণে নেইমারের পাশে থাকছেন এনড্রিক, ভিনিসিয়াস জুনিয়র ও রাফিনহা।
পাঁচবারের ভুবনজয়ীরা এবার ছয়ের লক্ষ্যে
এবার ষষ্ঠ বিশ্বকাপ শিরোপা জয়ের টার্গেট সেলেকাওদের। বিশ্বকাপে নেইমার কেন নির্বাচিত হলেন? অ্যানচেলোত্তি বরাবরই বলে এসেছেন যে, বিশ্বকাপের দলে জায়গা করে নিতে হলে নেইমারকে নিজের ফিটনেস প্রমাণ করতে হবে। দল ঘোষণার পর কোচ সাংবাদিক বৈঠকে জানিয়েছেন যে, ৩৪ বছর বয়সী এই খেলোয়াড় ফিটনেসে উল্লেখযোগ্য উন্নতি করেছেন। অ্যানচেলোত্তি বলেছেন, ‘নেইমারের ফিটনেসের উন্নতি হয়েছে। এই বিশ্বকাপে ও একজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় হতে চলেছে।’ অ্যানচেলোত্তি আরও জানিয়েছেন যে, দলের নির্দিষ্ট কিছু পজিশনে তিনি অভিজ্ঞ খেলোয়াড়ই চেয়েছিলেন। আর ঠিক এই কারণেই নেইমারের ব্রাজিলে ফেরার পথ সুগম হয়েছে। অ্যানচেলোত্তির সংযোজন, ‘বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ শুরু হওয়ার আগ পর্যন্তও নেইমার ওঁর ফিটনেসের আরও উন্নতি ঘটাতে পারবে। এই ধরনের প্রতিযোগিতায় খেলায় ওর অভিজ্ঞতা রয়েছে। আমাদের দলের ভালোবাসা রয়েছে। ও এই দলের পরিবেশ আরও ভালো করতে পারবে।’ নেইমারের চতুর্থ এবং সম্ভবত জীবনের শেষ বিশ্বকাপ খেলতে চলেছেন। পেলের দেশের তারকা ব্রাজিলের হয়ে ৭৯ গোল করেছেন। তিনিই ব্রাজিলের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলদাতা। বিশ্বকাপের ‘সি’ গ্রুপে ব্রাজিলের সঙ্গে রয়েছে মরক্কো, হাইতি এবং স্কটল্যান্ড। আগামী ১৪ জুন মরক্কোর বিরুদ্ধে ব্রাজিলের বিশ্বকাপ অভিযান শুরু হচ্ছে।
ব্রাজিলের বিশ্বকাপ স্কোয়াড
গোলরক্ষক: অ্যালিসন, এডারসন, ওয়েভারটন
ডিফেন্ডার: অ্যালেক্স সান্দ্রো, ড্যানিলো, লিও পেরেইরা, ব্রেমার, ইবানেজ, ওয়েসলি, মারকুইনহোস, গ্যাব্রিয়েল ম্যাগালহেস ও ডগলাস স্যান্টোস
মিডফিল্ডার: ব্রুনো গুইমারেস, ক্যাসেমিরো, ডানিলো স্যান্টোস, ফ্যাবিনহো, লুকাস পাকেতা
ফরোয়ার্ড: এন্ড্রিক, গ্যাব্রিয়েল মার্টিনেলি, ইগর টিয়াগো, ম্যাথিউস কুনহা, রাফিনহা, ভিনিসিয়াস জুনিয়র, লুইজ হেনরিক, নেইমার ও রায়ান
(Feed Source: zeenews.com)
