
Struggle Story: Struggle Story: বিশ্বজয়ের দোরগোড়ায় কালনার সায়নী! ‘সুগারু চ্যানেল’ জয়ের স্বপ্ন পূরণে পাশে জেলা প্রশাসন ও রাইসমিল অ্যাসোসিয়েশন
বর্ধমান : বিশ্বজয়ের দোরগোড়ায় পূর্ব বর্ধমানের কালনার কৃতী সন্তান তথা রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত ওপেন ওয়াটার সাঁতারু সায়নী দাস। ‘সাত সমুদ্র’ জয়ের অনন্য মাইলফলক ছুঁতে চলেছেন তিনি।ইতিমধ্যেই ছ’টি সমুদ্র সফলভাবে পাড়ি দিয়ে ইতিহাস গড়েছেন তিনি। এবার তাঁর পাখির চোখ জাপানের অন্যতম বিপজ্জনক ‘সুগারু চ্যানেল’।যার খরচ প্রায় ১৪ লক্ষ টাকা। ৯ লক্ষ টাকার ব্যবস্থা করতে পারলেও, বাকি ৫ লক্ষ টাকার অভাবে থমকে যেতে বসেছিল তাঁর বহুদিনের সাধনার এই স্বপ্ন।
এই পরিস্থিতিতে জেলা প্রশাসনের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সায়নী।জেলাশাসক শ্বেতা আগরওয়ালের আন্তরিক তৎপরতায় সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসে ‘বর্ধমান জেলা রাইসমিল অ্যাসোসিয়েশন’। এদিন জেলাশাসকের দফতরে গিয়ে আধিকারিকদের সামনে সায়নীর হাতে পাঁচ লক্ষ টাকার চেক তুলে দিল বর্ধমান জেলা রাইসমিল অ্যাসোসিয়েশন।
উল্লেখ্য,ভৌগোলিক দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই সুগারু প্রণালীটি জাপানের হোনশু (দক্ষিণ) এবং হোক্কাইডো (উত্তর) দ্বীপকে পৃথক করেছে। এর তীব্র জলস্রোত ও প্রতিকূল আবহাওয়া সাঁতারুদের জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ।চেক হাতে পেয়ে আবেগাপ্লুত হয়ে সায়নী দাস বলেন, পৃথিবীর সাতটি সমুদ্র সাঁতরে পার করার যে লক্ষ্য আমি নিয়েছিলাম, তার মধ্যে ছ’টি ইতিমধ্যেই জয় করেছি। শেষ সমুদ্র জাপানের সুগারু। এই ধরনের স্পোর্টস অত্যন্ত ব্যয়বহুল। আর্থিক সমস্যার কারণে প্রস্তুতিতে বড় সমস্যা হচ্ছিল। জেলা প্রশাসন ও রাইসমিল অ্যাসোসিয়েশন যেভাবে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিল, তাতে এখন আমার দায়িত্ব আরও বেড়ে গেল। শুধু বাংলা নয়, বিদেশের মাটিতে আমাদের দেশের জাতীয় পতাকা ওড়াতে চাই।
বর্ধমান ডিস্ট্রিক্ট রাইসমিল অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আব্দুল মালেক বলেন, “জেলাশাসকের অনুরোধে আমরা আর্থিক সহায়তা তুলে দিয়েছি। আমরা সব সময় জেলা প্রশাসনের সঙ্গে আছি।” আব্দুল মালেক ছাড়াও সংগঠনের কোষাধ্যক্ষ কাঞ্চন সোম-সহ অনেক পদাধিকার ছিলেন। সংগঠনের তরফে পাঁচ লক্ষ টাকা তুলে দেওয়া হয়েছে।জুন মাসে ভারত থেকে রওনা দেবে সায়নী। জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহে আবহাওয়া অনুকূল থাকলে চ্যানেল পার করার অনুমতি মিলবে।
Sayani Sarkar
