এভারেস্ট জয়ের পর মর্মান্তিক মৃত্যু, পর্বতের কোলেই ঢলে পড়লেন দুই ভারতীয় পর্বতারোহী, নামানোই গেল না একজনকে

এভারেস্ট জয়ের পর মর্মান্তিক মৃত্যু, পর্বতের কোলেই ঢলে পড়লেন দুই ভারতীয় পর্বতারোহী, নামানোই গেল না একজনকে

 

Indians Die on Mount Everest: এভারেস্ট জয়ের পর মর্মান্তিক মৃত্যু। নামার সময় মৃত্য়ুর কোলে ঢলে পড়লেন দুই ভারতীয় পর্বতারোহী। ছবি: ফ্রিপিক।

এভারেস্ট জয় করে ফেলেছিলেন। কিন্তু নামার সময় ঘটল বিপত্তি। আর ঘরে ফেরা হল না দুই ভারতীয়র। এভারেস্টের কোলেই চিরনিদ্রায় ঢলে পড়লেন তাঁরা।

Nepal Expedition Operators Association-এর সেক্রেটারি জেনারেল ঋষি ভাণ্ডারী জানিয়েছেন, দুই পর্বতারোহীকে নামিয়ে আনার সব চেষ্টা হয়েছিল। উদ্ধারকারী দল, শেরপারাও সব চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ হয়।

বৃহস্পতিবার এভারেস্টের ‘ডেথ জোনে’ মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েছেন ভারতীয় পর্বতারোহী, অরুণ কুমার তিওয়ারি। ওই দিনই এভারেস্ট জয় করে নামার সময় মারা গিয়েছেন সন্দীপ আরে নামের আর এক পর্বতারোহী। জানা গিয়েছে, অবতরণের সময় ক্লান্তি গ্রাস করে তাঁদের। স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটতে থাকে।

Nepal Expedition Operators Association-এর সেক্রেটারি জেনারেল ঋষি জানিয়েছেন, এভারেস্ট জয় করে নীচে নামার সময় ক্লান্তি গ্রাস করে ওই দু’জনকে। শেরপারা অনেক চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি।

বুধবার যে ২৭৪ জন ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এভারেস্ট জয় করেন, সেই দলে শামিল ছিলেন সন্দীপ। একদিনে এত বিপুল সংখ্যক মানুষের এভারেস্ট জয়ের নজির ছিল না এতদিন। ঋষি জানিয়েছেন, সন্দীপকে বাঁচানোর সব চেষ্টা হয়েছিল। ব্যালকনি থেকে সাইথ কোলে রাতেই উদ্ধার করে আনা হয় তাঁকে। কিন্তু তার পরও চেষ্টা ব্যর্থ হয়।

অন্য দিকে, বুধবার বিকেল ৫.৩০টা নাহাদ এভারেস্টের শিখরে পৌঁছন অরুণ। দুই অভিজ্ঞ শেরপা ছিলেন তাঁর সঙ্গে। কিন্তু নামার সময় ক্লান্তি গ্রাস করে অরুণকে। হিলারি স্টেপের উপর হাত তুলে নেন তিনি। তাঁকে নামিয়ে আনা যায়নি।

হিলারি স্টেপ থেকে নামিয়ে আনা যায়নি অরুণকে। সন্দীপ মারা যান ক্যাম্প ২-তে। শেরপাদের একটি দল রাতেই নামিয়ে এনেছিল তাঁকে।

এই ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। একদিনে দুই পর্বতারোহীর মৃত্যুতে ২১ বছর বয়সি সানিকা শাহ এবং BSF-এর মহিলা পর্বতারোহী টিমের এভারেস্ট জয়ের আনন্দও বিষাদে পরিণত হয়েছে।

বুধবার নেপালের দিক থেকে, সাউথ বেস ক্যাম্প থেকে ২৭৪ জন এভারেস্টের শিখরে পৌঁছন। একদিনে এত সংখ্যক মানুষের এভারেস্টে ওঠার নজির ছিল না এতদিন। তুষারপাতের জেরে তবে এবার পর্বতারোহণ শুরুও হয় দেরিতে। ১৩ মে রোপ ফিক্সিংয়ের কাজ সম্পূর্ণ হয়। তার পরই শুরু হয় পর্বতারোহণ।

এবারে রেকর্ড সংখ্যক মানুষ এভারেস্টে উঠতে পারেন। নেপালের তরফে ৪৯৩টি অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। ১৯৫৩ সালে তেনজিং নোরগে এবং এডমন্ড হিলারি এভারেস্ট জয়ে করার পর এই প্রথম এক বছরে এত সংখ্যক মানুষকে এভারেস্টে ওঠার অনুমতি দেওয়া হল।

(Feed Source: abplive.com)