)
Hormuz to Reopen: সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্প বলেন, শান্তি-সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক নিয়ে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, কাতার-সহ কয়েকটি দেশের নেতাদের সঙ্গে তাঁর খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। তাহলে কি খুলছে হরমুজ? সেরকমই ইঙ্গিত ছিল।
জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: হরমুজ প্রণালীর (Strait of Hormuz) দিকে বিশ্ব জোড়া চোখ। কবে খুলবে হরমুজ? অচিরেই যে খুলবে এমন একটা বিশ্বাস ছিল বিশ্ববাসীর। কেননা, ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি নিয়ে সমঝোতা প্রায় চূড়ান্ত বলে জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শিগগিরই চুক্তির বিস্তারিত ঘোষণা করা হবে বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।
আলোচনায় হরমুজ
গতকাল শনিবারই ট্রাম্প বলেছিলেন, এই চুক্তির মধ্যে হরমুজ প্রণালী আবার খুলে দেওয়ার বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত থাকছে। এর অর্থ, হরমুজ নিয়ে আলোচনা হবে। তবে কি খুলছে হরমুজ? না, এ নিয়ে এর চেয়ে বেশি কিছু আর বলেননি ট্রাম্প।
‘পরস্পরবিরোধী’ ট্রাম্প
ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই বক্তব্যের আগে ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছিলেন, গত এক সপ্তাহে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের অবস্থান অনেকটাই কাছাকাছি এসেছে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, এর অর্থ কিন্তু এই নয় যে, গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলিতে সমঝোতা হয়ে গিয়েছে। এ কথা বলার সময়ে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ‘পরস্পরবিরোধী বক্তব্য’ রাখার অভিযোগও তোলেন।
কী বলেছিলেন ট্রাম্প?
সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রাম্প বলেন, শান্তি-সংক্রান্ত একটি সমঝোতা স্মারক নিয়ে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি এবং কাতার-সহ কয়েকটি দেশের নেতাদের সঙ্গে তাঁর খুব ভালো আলোচনা হয়েছে। ট্রাম্প আরও বলেন– মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ইরান ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য দেশের মধ্যে একটি চুক্তি নিয়ে বেশির ভাগ আলোচনা সম্পন্ন হয়েছে; এখন শুধু চূড়ান্ত অনুমোদন ও সমাপ্তি হওয়াটা বাকি। বর্তমানে চুক্তির চূড়ান্ত দিক ও বিস্তারিত বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা চলছে এবং খুব শিগগির তা ঘোষণা করা হবে বলেও জানান তিনি। তবে, সম্ভাব্য চুক্তি সম্পর্কে বিস্তারিত কোনো তথ্য না দিলেও ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, যে কোনো চুক্তিই ইরানকে পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন থেকে বিরত রাখবে!
মাধ্যম পাকিস্তান
এর পরে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বলেন, শান্তি প্রতিষ্ঠার অসাধারণ প্রচেষ্টার জন্য আমি প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে অভিনন্দন জানাই। তাঁদের (ট্রাম্প ও নেতানিয়াহু) ফোনালাপ খুব ফলপ্রসূ ও কার্যকর হয়েছে বলেও জানান শাহবাজ। প্রসঙ্গত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে এই শান্তি চুক্তি আলোচনায় সহায়তা করছে এবং মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে পাকিস্তানই। এক পোস্টে শাহবাজ লেখেন, আমরা খুব শিগগিরই পরবর্তী দফার আলোচনা আয়োজনের আশা করছি!
ইরান-মার্কিন লড়াই
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যৌথভাবে ইরানের উপর ব্যাপক হামলা শুরু করে। জবাবে ইরান পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলিতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ঘাঁটি-সহ বিভিন্ন দেশে ও ইসরায়েলে হামলা চালায়। এই হামলার জেরে পুরো মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই একটি সমঝোতা স্মারকের কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, ইরানের লক্ষ্য, একটি চুক্তিতে পৌঁছনো।
(Feed Source: zeenews.com)
