VIRAT KOHLI MASSIVE CONTROVERSY: ‘আবারও সেই এক আপত্তিকর টেক্সট করছে’, কোহলির সঙ্গে নাম জড়াল হেডের সুন্দরী স্ত্রী জেসিকার, চাঞ্চল্যকর অভিযোগে ধেয়ে এল ঝড়

VIRAT KOHLI MASSIVE CONTROVERSY: ‘আবারও সেই এক আপত্তিকর টেক্সট করছে’, কোহলির সঙ্গে নাম জড়াল হেডের সুন্দরী স্ত্রী জেসিকার, চাঞ্চল্যকর অভিযোগে ধেয়ে এল ঝড়

Travis Head Wife Jessica On Virat Kohli: বিরাট কোহলির সঙ্গে কেন নাম জুড়ল ট্র্যাভিস হেডের স্ত্রীর। তাঁর কোন অভিযোগ নড়িয়ে দিল ফের ভারতীয় ক্রিকেটকে?

জি ২৪ ঘণ্টা ডিজিটাল ব্যুরো: চলতি বছর আইপিএল (IPL 2026) প্রায় শেষ লগ্নে চলে এসেছে। গ্রুপ পর্বের ৭০ ম্যাচ শেষ। রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু (Royal Challengers Bangalore), গুজরাত টাইটান্স (Gujarat Titans) সানরাইজার্স হায়দরাবাদ (Sunrisers Hyderabad) ও রাজস্থান রয়্যালস (Rajasthan Royals) চলে গিয়েছে। আগামী ৩১ মে লিগের ফাইনাল। মানে হাতে আর ঠিক ৬ দিন। কিন্তু এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়েও এখনও পিছু ছাড়ছে না বিতর্ক। এবার বিরাট কোহলির (Virat Kohli) সঙ্গে নাম জুড়ল ট্র্যাভিস হেডের (Travis Head) স্ত্রী জেসিকারও (Jessica)! তাঁর চাঞ্চল্যকর অভিযোগে নড়ে গিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট।

জেসিকা কার্যত ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন

জেসিকা সম্প্রতি মুখ খুলেছেন সেই নতুন করে শুরু হওয়া অনলাইন হেনস্থা নিয়ে। গত ২২ মে আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ এবং রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু ম্যাচটি ছিল কার্যত ডেড রাবার। তবে খেলার শেষে হেড ও কোহলির বাদানুবাদের ঘটনা এখনও নেটপাড়ায় ট্রেন্ডিং। সোশ্যাল মিডিয়ায় জেসিকা জানিয়েছেন যে, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে তাঁকে  ফের গালিগালাজ করা হচ্ছে। তিনি এখন ট্রোলিংয়ের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছেন। জেসিকা বলেছেন, এই পরিস্থিতি তাঁর এবং তার পরিবারের জন্য মানসিক ভাবে অত্যন্ত ক্লান্তিকর ও যন্ত্রণাদায়ক হয়ে উঠেছে দিনের পর দিন। তিনি আরও যোগ করেছেন যে, এই হেনস্তার ধরন দেখে মনে হচ্ছে যেন সেই ২০২৩ সালের আইসিসি ওডিআই বিশ্বকাপের পর তিনি যে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে গিয়েছিলেন, তারই যেন পুনরাবৃত্তি ঘটছে। অমদাবাদে অনুষ্ঠিত সেই বিশ্বকাপের ফাইনালে ১৩৭ রানের ম্যাচ-জয়ী ইনিংস খেলে হেড ভারতকে বিরাট ধাক্কা দিয়েছিলেন।

পরিবারকেও আক্রমণ নেটপাড়ায়

জেসিকা বলেছেন, তিনি ঘুম থেকে উঠে দেখেন তাঁর বন্ধু ও পরিবারকে লক্ষ্য করে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপত্তিকর বার্তা পাঠানো হয়েছে। তিনি মানসিক স্বাস্থ্য সম্পর্কে আরও সচেতনতা, দৃষ্টিভঙ্গি এবং সহানুভূতির আহ্বান জানিয়েছেন এবং ভক্তদের মনে করিয়ে দিয়েছেন যে খেলোয়াড় ও তাঁদের পরিবারও সাধারণ মানুষ। জেসিকা অস্ট্রেলিয়ান সংবাদমাধ্যম দ্য অ্যাডভার্টাইজার-এ বলছেন, ‘মনে হচ্ছে বিশ্বকাপের পর যে হয়রানি হয়েছিল, এটা যেন তারই পুনরাবৃত্তি। ঘুম থেকে উঠে দেখি আমার সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচুর মেসেজ। আমরা ভালো আছি, কিন্তু আমার বন্ধু ও পরিবারকে আক্রমণ করছে। আমার মনে হয়, এই মুহূর্তে সব খেলাধুলোর ক্ষেত্রেই মানসিক স্বাস্থ্য, দৃষ্টিভঙ্গি এবং আমরা একে অপরের সঙ্গে যেভাবে কথা বলি, তা নিয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা চলছে। আবেগ সবসময়ই খেলার অংশ হয়ে থাকবে। কিন্তু এর পাশাপাশি এটাও মনে রাখা জরুরি যে এই খেলার পিছনেও সাধারণ মানুষ ও পরিবার রয়েছে। আশা করি এটি একে অপরের প্রতি আরও সহানুভূতি এবং সমর্থনকে উৎসাহিত করবে।’

হেড এবং কোহলির মধ্যে ঠিক কী ঘটেছিল?

শিবাং কুমারের করা ইনিংসের প্রথম ওভারেই উত্তেজনার সূত্রপাত। যখন ভেঙ্কটেশ আইয়ার আগ্রাসী ব্যাটিং শুরু করেন এবং খুব সহজেই বাউন্ডারি হাঁকাতে থাকেন। সেই আক্রমণের মাঝেই কোহলিকে দেখা যায় মিড-উইকেটে ফিল্ডিংরত ট্রাভিস হেডের দিকে ইশারা করতে। দেখে মনে হচ্ছিল যেন তিনি হেডকেই বোলিংয়ের দায়িত্ব নেওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছেন। অপর এক মুহূর্তে আবার কোহলিকে দেখা যায় সেই অস্ট্রেলীয় ক্রিকেটারকে হাত নেড়ে দূরে সরে যাওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছেন। শেষমেশ ১৮ ওভারে হেড বোলিং আক্রমণে আসেন এবং নেমেই তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলেন। নিজের দ্বিতীয় বলেই তিনি আরসিবি অধিনায়ক রজত পাতিদারকে আউট করেন। তবে, এই দুই তারকার মধ্যেও উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের ঘটনা কেবল ওখানেই থেমে থাকেনি। ইনিংসের পরে ফিল্ডিংয়ের অবস্থান বদলানোর সময় হেডের সঙ্গে কোহলির আবারও মুখোমুখি দেখা হয়। সেই মুহূর্তে ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ককে আবারও হেডের সঙ্গে কথা কাটাকাটি করতে দেখা যায়। মাঠের ভিতরেও এই নাটকীয়তা ম্যাচের পরেও গড়ায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, ম্যাচ শেষে খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রচলিত প্রথাগত করমর্দনের সময় কোহলি পুরোপুরি হেডকে এড়িয়ে যান। কামিন্স, অভিষেক শর্মা এবং ঈশান কিষানের সঙ্গে বেশ আন্তরিক ভাবে কুশল বিনিময় করলেও, হেডকে প্রকাশ্যেই উপেক্ষা করেন। ভারতের প্রাক্তন অলরাউন্ডার ইরফান পাঠান কোহলির পক্ষ নিয়ে এই নিয়ে কথা বলেছে। তাঁর মতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও হাই-ভোল্টেজ ম্যাচগুলিতে  আবেগের পারদ প্রায়শই তুঙ্গে থাকে। সেখানে খেলোয়াড়দের মধ্যে এমন উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় বা সংঘাতের ঘটনা খুবই স্বাভাবিক।

(Feed Source: zeenews.com)