সরকার বদলের পর থেকে টলিউডের বিভিন্ন অ্যাসোসিয়েশনে বদল ঘটেছে৷ একদিকে যেমন ফেডারেশনে স্বরূপ বিশ্বাসের বিরুদ্ধে উঠে এসেছে একের পর অভিযোগ, তেমনই EIMPA-সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তকে সরানোর দাবি উঠেছে৷
রতন সাহা ইন, পিয়া আউট?
কলকাতা: EIMPA র অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি নির্বাচিত হলেন রতন সাহা। তিনি SSR মিডিয়ার মালিক। দীর্ঘদিনের ফিল্মের ব্যবসার সঙ্গে জড়িত তিনি ও তাঁর পরিবার৷ রতন সাহা ও তাঁর পুত্র শতদীপ সাহা অজন্তা ও গ্লোব সিনেমা হলের মালিক৷ ইম্পার সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের সমর্থনে তাঁকে আপাতত সভাপতি করা হল। যদিও তিনি অন্তর্বর্তী সময়ে থাকবেন৷
ইম্পার সদস্যরা বলছেন ভবিষ্যতে স্বচ্ছ পদ্ধতিতে ভোট হবে এবং তখন স্থায়ী সভাপতি নির্বাচিত হবে। ততদিন পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন দায়িত্বে থাকবেন রতন সাহা। যদিও রতন সাহাকে সভাপতি হিসেবে মেনে নিতে অস্বীকার ইম্পার আগের সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তের। তিনি নিজের পদ ছাড়তে নারাজ। আজ, সোমবার, বিকেলে সাংবাদিক বৈঠক করে জবাব দেবেন পিয়া।
EIMPA র অন্তর্বর্তীকালীন সভাপতি নির্বাচিত অজন্তা-গ্লোব সিনেমা হলের মালিক
ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকেই ইম্পার অশান্তি। গত শুক্রবারও ইম্পার মিটিংয়ে তীব্র বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন সংশ্লিষ্ট সংগঠনের সদস্যরা। বর্তমান সভাপতি পিয়া সেনগুপ্তের পদত্যাগের দাবিতে অনড় ছিলেন বিক্ষুব্ধ সদস্যরা। সেখান থেকে ঘটনা অনেক দূর পর্যন্ত গড়ায়৷৷ ইমপার মিটিংয়ে পিয়া সেনগুপ্তকে ঘিরে বিক্ষোভ, হুলুস্থুল কাণ্ড ঘটে! ইমপার সভাপতি পদে আপাতত রয়েছেন পিয়া সেনগুপ্ত। সেই পদ থেকে পিয়া সেনগুপ্তকে অপসারণের দাবিতেই বিক্ষোভ হতে থাকে। দু’পক্ষের মধ্যে ধস্তাধস্তির অভিযোগ। অভিযোগ, পিয়া সেনগুপ্তর উদ্দেশ্যে ‘ফাইল চোর’ স্লোগান দেওয়া হয়।
শেষমেষ অসুস্থ হয়ে অ্যাম্বুল্যান্সে ইম্পার অফিস ছাড়েন পিয়া। অসুস্থ আরেক সদস্য সুকান্ত মালিক। দু’জনকে নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ। পরে থানায় অভিযোগও করেন পিয়া৷ এখন দেখার আজ বিকেলের বৈঠকে কী কী ঘটনা ঘটে৷ তার দিকেই সিনেমার কলাকুশলীদের নজর রয়েছে৷
(Feed Source: news18.com)