
Cooler Humidity Problem: তীব্র গরমে বন্ধ ঘরে কুলার চালাচ্ছেন? অজান্তেই ডেকে আনছেন না তো বড় বিপদ? ঘরে আর্দ্রতা ও শ্বাসকষ্টের সমস্যা এড়াতে কুলার ব্যবহারের সঠিক নিয়মগুলি এখনই জেনে নিন
এই প্রচণ্ড গরমে এসি এবং কুলার ছাড়া ঘরে বসে থাকাও যেন অসম্ভব হয়ে উঠেছে। তীব্র রোদ ও আর্দ্রতা থেকে বাঁচতে আজও সাধারণ ভারতীয় পরিবারগুলিতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার করা হয় কুলার। কুলার ঘর ঠান্ডা রাখে এবং আরামদায়ক ঘুম দিতেও সাহায্য করে। তবে অনেকেই ছোট ঘরে কুলার ঘরের ভিতরেই রেখে চালান।
যদি একেবারে বন্ধ ঘরে কুলার চালানো হয়, তাহলে তা স্বাস্থ্যের জন্য সমস্যার কারণ হতে পারে। পাশাপাশি বন্ধ ঘরে কুলার চালালে ঘরে আর্দ্রতা ও গরম আরও বাড়তে পারে। এমনকি শ্বাসকষ্টের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। তাই কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের দিকে নজর রাখা জরুরি। বন্ধ ঘরে কুলার চালানোর সময় এই বিষয়গুলি মাথায় রাখুন:
ঘরে হাওয়ার চলাচল বজায় রাখুন:কুলার বাতাসে আর্দ্রতা বাড়ায়। তাই ঘর পুরোপুরি বন্ধ থাকলে ভিতরের বাতাস ভারী ও দমবন্ধ লাগতে পারে। সেই কারণে জানলা বা দরজা সামান্য খোলা রাখুন, যাতে বাইরে থেকে তাজা বাতাস ঢুকতে পারে।
অতিরিক্ত আর্দ্রতা সমস্যা বাড়াতে পারে:দীর্ঘ সময় বন্ধ ঘরে কুলার চালালে দেওয়াল ও ঘরে স্যাঁতসেঁতে ভাব তৈরি হতে পারে। এর ফলে ফাঙ্গাস ও দুর্গন্ধের সমস্যা দেখা দেয়, যা অ্যালার্জি ও শ্বাসকষ্টের কারণ হতে পারে। যাঁদের হাঁপানি বা শ্বাসজনিত সমস্যা রয়েছে, তাঁদের বিশেষ সতর্ক থাকা উচিত।
নিয়মিত পরিষ্কার করুন:কুলারের জল ও প্যাড নিয়মিত পরিষ্কার করা জরুরি। দীর্ঘ সময় নোংরা জল জমে থাকলে সেখানে ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাস জন্মাতে পারে, যা অ্যালার্জি ও সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। তাই চেষ্টা করুন প্রতি ২-৩ দিন অন্তর জল বদলাতে।
সারারাত একটানা চালাবেন না:অনেকক্ষণ একটানা কুলার চালালে শরীরে অতিরিক্ত ঠান্ডা লাগতে পারে। এর ফলে সর্দি-কাশি, গায়ে ব্যথা বা গলায় খুসখুসের সমস্যা হতে পারে। তাই কয়েক ঘণ্টা পর ঘর ঠান্ডা হয়ে গেলে কুলার বন্ধ করে দিন। প্রয়োজনে টাইমার ব্যবহার করতে পারেন।
বৈদ্যুতিক সংযোগ পরীক্ষা করুন:পুরনো কুলার বা খারাপ ওয়্যারিং থেকে শর্ট সার্কিটের ঝুঁকি বেড়ে যায়। ব্যবহার করার আগে প্লাগ, তার ও মোটর ভালভাবে পরীক্ষা করে নিন। কুলারে সবসময় সঠিক পরিমাণে জল রাখুন।
শিশু ও বয়স্কদের দিকে বিশেষ নজর দিন:ছোট শিশু ও বয়স্কদের উপর অতিরিক্ত ঠান্ডা ও আর্দ্র বাতাস দ্রুত প্রভাব ফেলে। তাই ঘরের তাপমাত্রা সবসময় স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করুন।
সঠিক জায়গায় কুলার রাখুন:কুলার এমন জায়গায় রাখুন, যেখানে বাইরে থেকে সহজে বাতাস ঢুকতে পারে। এতে কুলিং ভাল হয় এবং ঘরের ভিতরে সতেজ পরিবেশ বজায় থাকে
(Feed Source: news18.com)
